বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির হালচিত্র তুলে ধরবেন আসল বিএনপি মুখপাত্র কামরুল হাসান নাসিম।

রাজনীতির এ চিত্র তুলে ধরতে তিনি বেছে নিয়েছেন চলচ্চিত্রকে এবং সেই মানের একটি চলচ্চিত্র নির্মাণের ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।

এক ব্যবসায়ী একটি স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে নির্মমভাবে হত্যা করে। আর এই কাহিনীকে উপজীব্য করে তিনি চলচ্চিত্রের নামকরণ করেছেন ‘সাজনিন’।

বুধবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে তিনি এমন চলচ্চিত্র নির্মাণের ঘোষণা দেন।

কামরুল বলেন, ‘সাজনিন নামের একটি স্বল্পদৈর্ঘ চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে যাচ্ছি। দেশের চিরপরিচিত এক ব্যবসায়ী স্কুল পড়ুয়া মেয়ে সাজনিনকে ১৯৮৯ সালে ২৩ এপ্রিল মির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। সেই কিশোরী হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের ঘটনা সামান্য কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ।’

তিনি বলেন ‘সেই ঘটনার আদলে এই চলচ্চিত্রে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির হালচিত্র তুলে ধরা হবে। ঈদের পরপরই এই চলচিত্রটি মুক্তি পাবে।’

আসল বিএনপির মুখপাত্র বলেন, ‘এই চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের রাজনীতির প্রাণ হবে। এখান থেকে শিক্ষা নিয়ে ঠিক করতে হবে বাংলাদেশ কোনদিকে যাবে।’

দেশ ও বিদেশে এই চলচ্চিত্রটি প্রদর্শন করা হবে বলেও জানান তিনি।

এ বছরের শেষ দিকে আসল বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের একটি দল ভারতসহ কয়েকটি দেশ সফর করবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমিও থাকছি এই সফরে। দেশের ভবিষ্যৎ পররাষ্ট্রনীতি নিধারণ করেই ২০১৬ বছরকে নতুন করে সাজতে চাই।’

আসল বিএনপি দাবি করা কামরুল বলেন, ‘আমাদের অন্ধ সমর্থন দরকার নেই। দরকার কার্যকরী সমর্থন ও কাজ করার পরিবেশ। সেই রাস্তায় হাঁটতে পারলে মধ্যবর্তী নির্বাচনের জন্য আন্দোলনে যাওয়া হবে আগামী বছরের শুরুতেই।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপির অসুখ হয়েছে। আমি একজন ওষুধওয়ালারূপী চিকিৎসক। প্রয়োগ করে দেখেছিলাম হোমিওপ্যাথি। এই ওষুধ কাজ করে ধীরে ধীরে। তবে ঈদের পরে এ্যালোপ্যাথিক ওষুধ দেয়া হবে।’

কামরুল বলেন, ‘বিএনপির প্রাণ নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আমাকে এই বছরেই দেখা যাবে।’

তবে এখনই কেন তিনি সেখানে যাচ্ছেন না তা সাংবাদিকদের কাছে বলেননি।

বিএনপি চারভাগে বিভক্ত দাবি করে তিনি বলেন, ‘প্রথমথ একটি অংশ শীর্ষ নেতাদের উপর ভরসা রাখতে পারছে না। এই অংশটি নেতৃত্বেরে পরিবর্তন চায়। দ্বিতীয় অংশ বিএনপি প্রতিষ্ঠার সময় যারা সদস্য ছিলেন তারা। এরা সুবিধাবাদী এবং এখন সরকারের সঙ্গে আঁতাত করে চলে। তৃতীয় অংশটি হলো দলের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা বিদেশি শক্তির এজেন্ট। চতুর্থ অংশ হল সর্বজন শ্রেণি। এরা তৃণমুলে কাজ করে যারা দল ও দেশকে ভালবাসে।’

এসএইচ/ইআর