বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ড. মোবারক হোসাইন শীতার্তদের সহায়তায় সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়ে বলেছেন, সারা দেশে হাড় কাঁপানো কনকনে শীত নেমেছে। একইসাথে বেড়েছে গরিব-দুঃখী মানুষের দুর্ভোগ। শীতের দূর্ভোগ জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলছে। তিনি বলেন, এ অবস্থায় শীতার্তদের এড়িয়ে যাওয়া চরম অমানবিক কাজ হবে। তাই মানবিক আবেদনে সাড়া দিয়ে শীতার্তদের সহায়তায় সরকার, সমাজের বিত্তবানসহ সকলের এগিয়ে আসা জরুরী।

আজ রাজধানীতে ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

শিবির সভাপতি বলেন, প্রাকৃতিক নিয়মে ঋতুর পরিবর্তনে প্রতিবছর শীতকাল আসে। কিন্তু শীত এলেই দেশের হতদরিদ্র মানুষ অমানবিক কষ্ট ভোগ করে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ শীতবস্ত্রের অভাবে দরিদ্র মানুষের ভোগান্তি সীমাহীন। যা প্রায় প্রতি বছরেরই নিয়মিত চিত্র।

নিঃস্বার্থভাবে বিপদগ্রস্থ মানুষের সাহায্য ও সেবায় এগিয়ে আসা এখন সমাজের চাহিদা। রাসুল সা. বলেছেন, ‘‘এক মুসলমান অন্য মুসলমানকে কাপড় দান করলে আল্লাহ তাকে জান্নাতের পোশাক দান করবেন। ক্ষুধার্ত অবস্থায় খাদ্য দান করলে আল্লাহ তাকে জান্নাতের সুস্বাদু ফল দান করবেন। কোনো মুসলমানকে তৃষ্ণার্ত অবস্থায় পানি পান করালে আল্লাহ তাকে জান্নাতের সিলমোহরকৃত পাত্র থেকে পবিত্র পানি পান করাবেন”। (সুনানে আবু দাউদ)।

শিবির সভাপতি বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে শীতার্ত মানুষের করুন চিত্র তুলে ধরা হচ্ছে। কিন্তু সরকার দূর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুতি ও সক্ষমতার কথা বললেও শীতার্তদের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। যা অনাকাঙ্খিত ও অমানবিক।

তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত, দুর্গত মানুষের পাশে সকলকে দাঁড়ানোর আহ্বান: সেলিম উদ্দিন

এ অবস্থায় অন্যের দিকে তাকিয়ে থাকা অর্থহীন। সুতরাং যার যার অবস্থান থেকে শীতার্তদের পাশে দাঁড়ানো প্রতিটি মনুষত্ববোধ সম্পন্ন মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। আমরা ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীসহ সমাজের প্রতিটি শ্রেণী-পেশার মানুষ এবং সরকারকে অসহায়, দুস্থ মানুষের শীতের কষ্ট লাঘবে এগিয়ে আসার আহবান জানাচ্ছি।

শিবির সভাপতি শীতার্ত মানুষদের জন্য আল্লাহর রহমত কামনা ও দোয়া করে বক্তব্য সমাপ্ত করেন। এসময় সেক্রেটারি জেনারেল সিরাজুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। -প্রেস বিজ্ঞপ্তি

এএস