বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বর্তমান সরকার শত বাধা, জুলুম-নির্যাতন ও নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করে জনবিস্ফোরণ ঠেকাতে পারবে না।

আজ (শনিবার) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, বর্তমান সরকার বিরোধীদলহীন রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েম করতেই বিএনপি’সহ বিরোধী দলগুলোর শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দিচ্ছে। সরকারদলীয় সন্ত্রাসীরা বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, ভাঙচুর, দখল, বানোয়াট মামলা দিয়ে গ্রেফতার এবং রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ১৪৪ ধারা জারি করে বিএনপির সভা-সমাবেশ পণ্ড করা অব্যাহত রেখেছে। তারপরও জনগণের ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনকে দমাতে পারবে না।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নির্ভরশীল হয়ে দাম্ভিকতা, রক্তপাত আর মিথ্যাচারকে পুঁজি করে দেশ চালাতে গিয়ে রাষ্ট্র ও সমাজে অনাচার তীব্র মাত্রায় উন্নীত করেছে সরকার।

তাদের অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের আওয়াজ যেন না ওঠে সেজন্য মেতে উঠেছে বিরোধী দলের অস্তিত্ব বিলীন করার কর্মযজ্ঞে। সেজন্যই তারা বিএনপি ও বিরোধী দলগুলোর সভা-সমাবেশসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক কর্মসূচি বানচাল করতে রাষ্ট্রযন্ত্রকে বেপরোয়াভাবে ব্যবহার করছে।

মির্জা আলমগীর বলেন, শনিবার ঠাকুরগাঁওয়ে একটি অনুষ্ঠানে আমার যোগ দেয়াকে কেন্দ্র করে সদর উপজেলাসহ কয়েকটি উপজেলায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। এ ঘটনা প্রমাণ করে-সরকার জনসমাগমকে ভয় পায়, জনগণকে অবজ্ঞা করে। বর্তমান সরকার জনগণের মাধ্যমে নির্বাচিত নয় বলেই জনগণের কোনো দাবি বা অধিকারকে গ্রাহ্য করে না।

সরকার তাদের কৃতকর্মের জন্য পুরোপুরি জনবিচ্ছিন্ন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চরম ভরাডুবির কথা চিন্তা করেই বিএনপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিগুলোকে নির্দয়ভাবে দমন করছে। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা’সহ কয়েকটি উপজেলায় ১৪৪ ধারা জারির ঘটনাকে সরকারের হীনমানসিকতা আখ্যায়িত করে নিন্দা ও ধিক্কার জানান বিএনপি মহাসচিব।

এ সময় তিনি ঢাকা মহানগরীর থানায় থানায় বিএনপির বিক্ষোভ কর্মসূচিতে পুলিশী হামলা ও নেতাকর্মীদের আহত করার ঘটনায়ও নিন্দা জানান।

এমবি