আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছেন, নাশকতার মাধ্যমে দেশে নিষ্ঠুরভাবে নারী ও শিশুদের হত্যা করা হচ্ছে।এদের বিরুদ্ধে মানুষকে জাগিয়ে তোলা গণমাধ্যম ছাড়া রাজনীতিবীদের পক্ষে একা সম্ভব নয়।
সোমবার দুপুরে রাজধানীর কাকরাইল ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিয়ার্স মিলনায়তনে নৌকা সমর্থক গোষ্ঠি আয়োজিত চলমান রাজনীতি বিষয়ে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
সুরঞ্জিত বলেন, 'পৃথিবীর অন্যান্য দেশে যারা নাশকতা মোকাবেলা করেছেন, তাদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এ নাশকতা রোধ করতে হবে।
এই সহিংসতাকে রাজনৈতিক সংকট হিসেবে চিহ্নিত না করে মৌলবাদ, জঙ্গিবাদ ও নাশকতার সংকট হিসেবে চিহ্নিত করে নতুন আইন ও প্রশিক্ষিত বাহিনী গঠন করতে হবে।'
তিনি বলেন, 'আমরা দুটি জায়গায় আটকিয়ে গেছি। এক বুদ্ধিজীবীদের যত তাড়াতাড়ি বিভ্রান্তি কাটবে এবং গণমাধ্যম যত তাড়াতাড়ি এই নাশকতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিবে।'
তিনি আরও বলেন, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নির্ভর করে থাকলে চলবে না। সকলকে একত্রিত করে এই সমস্যা মোকাবেলা করতে হবে। আন্দোলন আর নাশকতা এক না। গণআন্দোলন চরিত্র এক রকম আর নাশকতার চরিত্র আরেক রকম বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, 'আমাদের আন্দোলনের মধ্যে এই পেট্রোল বোমার সংস্কৃতি আগে ছিলো না। এর জননী বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া। বর্তমানে যেসব নাশকতা চলছে তা একটি নিচু জাতীয় নাশকতাবাদী ষড়যন্ত্র।'
সংগঠনের সভাপতি ইমদাদুল হক সেলিমের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন সাম্যবাদী দলের নেতা হারুন চৌধুরী, বঙ্গবন্ধু একাডেমির মহাসচিব হুমায়ন কবির মিজি, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই কানু প্রমুখ।
এমআর/এসএইচ





