সোমবার (২১ মার্চ) বিকেলে উপজেলার কাউলিবেড়া ইউনিয়নের কাজী ওয়ালিউল্লাহ হাই স্কুল মাঠে মুজিব শতবর্ষ উদযাপন ও শতাধিক নেতাকর্মীর যোগদান অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
নিক্সন চৌধুরী বলেন, ২০১৪ সালে জনগণকে নিয়ে মাত্র এক মাসের প্রচার-প্রচারণায় আমি এমপি নির্বাচিত হয়েছিলাম। আমি সবসময় সন্ত্রাস ও মাদকবিরোধী। আমি ভালোবাসি উন্নয়ন। আমার কোনো নেতা যদি অনিয়ম-দুর্নীতি ও মাদকের সঙ্গে জড়িত হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে আমি সর্বদা কঠোর ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত। আমার এক সময়ের কাছের নেতা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেনকে তার অপকর্মের জন্য আমার কাছ থেকে বিতাড়িত করেছি। এখন তিনি কাজী জাফরউল্লাহ সঙ্গে যোগ দিয়ে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। কাজী জাফর উল্লাহকে ফরিদপুর-৪ আসনের জনগণ দুইবার লাল কার্ড দেখিয়ে বিদায় জানিয়েছে। আগামীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে নৌকা প্রতীক দিলে আমি এই কাউলিবেড়া ইউনিয়নে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে দেখিয়ে দিব ইনশাল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী সারাদেশে যে উন্নয়ন করেছেন, আর কোনো সরকার এমন উন্নয়ন করতে পারেনি। আমি শেখ হাসিনার আদর্শকে ধারণ করে গত ৭ বছরে ফরিদপুর-৪ আসনকে বাংলাদেশের উন্নয়নের মডেল হিসেবে তৈরি করেছি। ভাঙ্গা এখন এখন সিঙ্গাপুরের আদলে তৈরি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘কাজী জাফরউল্লাহর উঠানের ওপর আজ হাজার হাজার জনগণের উপস্থিতিতে আমি নিক্সন চৌধুরী যে জনসভা করলাম, এরকম একটি জনসভা কাজী জাফরউল্লাহ কোনোদিনই করতে পারেন নাই, আর আগামীতেও পারবের না। কারণ তিনি এখন জনবিচ্ছিন্ন একজন নেতা। করোনার আড়াই বছর আমি নিক্সন চৌধুরী মাসের ১৫ দিন জনগণের পাশে থেকে তাদের সাহায্য সহযোগিতা ও খোঁজখবর নিয়েছি। অথচ এই আড়াই বছরে কাজী জাফরউল্লাহ একটিবারের জন্য এলাকায় প্রবেশ করেননি। জনগণ তো দূরের কথা নেতাকর্মীদের পর্যন্ত খোঁজ-খবর রাখেননি। আমি বুঝি জনগণই সব ক্ষমতার উৎস। অতীতে জনগণ আমার সঙ্গে ছিল, আমি জনগণের সঙ্গে আছি, আগামীতেও জনগণ আমার সঙ্গে থাকবে, আর আমি জনগণের পাশে থাকবো ইনশাআল্লাহ।’
এর আগে কাউলিবেড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রওশন কাজীসহ শতাধিক নেতাকর্মীর যোগদান অনুষ্ঠানে সকাল থেকেই ছোট ছোট মিছিল নিয়ে স্কুল মাঠে নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকে। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতেই জনসভা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। কাউলিবেড়া ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কাজী রওশনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ভোলা মাস্টার, ভাঙ্গা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম হাবিবুর রহমান, সদরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শফি কাজী, চরভদ্রাসন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাউসার মাস্টার প্রমুখ।
এইচএন





