দেশের জনগণকে ভীতসন্ত্রস্ত রাখতেই সরকার দমন-পীড়ন ও গ্রেপ্তার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি।
যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ সংগঠনটির নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের নিন্দা জানিয়ে দেয়া এক বিবৃতিতে এ অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, শনিবার সকালে সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের মোহাম্মদপুরের বাসভবনে ৮০ জন নেতা-কর্মী সাক্ষাৎ করতে এলে পুলিশ অকস্মাৎ হামলা চালিয়ে আলালসহ সবাইকে গ্রেপ্তার করে। অবৈধ সরকারের দূঃশাসনে দেশের মানুষ ভয়াবহ নিষ্পেষণে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। ক্ষমতাসীনদের দু:শাসন, দলন-পীড়ণ, অহংকার, ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও অশালীন আচরণ এবং ভয়াবহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানানোর ভাষা আমাদের জানা নেই।
মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ খুব ভালভাবেই টের পেয়ে গেছে, অপকর্ম ও কুশাসনে জর্জরিত জনগণের কাছে এখন তাদের কোন জনপ্রিয়তা নেই। আর এ কারণেই নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে বিরোধী দলসহ সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতন নিপীড়ণ এবং রক্তপাত ঘটাতে তারা এখন অন্ধকারের জীবে পরিণত হয়েছে।
তিনি বলেন, বাঁধভাঙা জনস্রোতের ভয়ে বিএনপি’র মতো একটা বৃহৎ রাজনৈতিক দল ক্ষমতাসীনদের নিকট থেকে শান্তিপূর্ণ সভা সমাবেশেরও অনুমতি পাচ্ছে না। মনে হচ্ছে তারা ভয় দেখিয়ে দেশ শাসন করে যাবে। কিন্তু দাম্ভিকতা এবং সীমাহীন অপকর্মই আওয়ামী লীগের জন্য ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনবে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে দেশের মানুষ যখন ঐক্যবদ্ধ এবং প্রতিবাদী হয়ে উঠেছে ঠিক তখনই ক্ষমতালোভী বর্তমান শাসকগোষ্ঠী গণবিস্ফোরণের ভয়ে স্বৈরাচারীত্বের শেষ সীমানা অতিক্রম করে দমন পীড়ণে নাগরিক জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। আর এজন্যই জনগণকে ভীতসন্ত্রস্ত রাখতে সারাদেশে দখল দুর্নীতি, গুম, খুন, অপহরণসহ বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের এবং তাদেরকে গ্রেপ্তার তৎপরতা দেখাচ্ছে।
অবিলম্বে আলালসহ গ্রেপ্তারকৃত নেতাকর্মীর নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব।
এমএইচ





