চতুর্থ উপজেলা নির্বাচন থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। সদ্য সমাপ্ত এ নির্বাচন থেকে তৃণমূলের সাংগঠনিক শক্তি সম্পর্কে ধারণা অর্জন করেছে দলটি। বিষয়টি মাথায় রেখেই সংগঠনের পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে। এমনটাই আভাস দিলেন দলটির নীতি নির্ধারকরা।
উপজেলা নির্বাচনের প্রথম দু’টি ধাপে পরাজয়ের কারণ হিসেবে দলটি তৃণমূলে দলীয় কোন্দল ও বিদ্রোহী প্রার্থীদেরকেই দায়ী করেছেন। এরপর দলীয় কোন্দল মিটিয়ে ও বিদ্রোহী প্রার্থীদের বুঝিয়ে বসিয়ে দেয়া হয়। সবশেষ দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তৃণমূলের কয়েকজন নেতাকে দল থেকে বহিস্কার করার পর তৃতীয় ধাপে এসে জয়ের দেখা পায় ক্ষমতাসীনরা।
এরই ফলশ্রুতিতে তৃতীয় থেকে ৫ম ধাপ পর্যন্ত টানা ৩টি ধাপেই জয় পায় আওয়ামী লীগ। আর এরই মধ্যদিয়ে উপজেলা নির্বাচনের ৫টি ধাপের মোট ফলাফলে দেখা গেছে অন্যান্য দলের চেয়ে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীই বেশি জয় পেয়েছেন।
তবে বিজয়ী হওয়ার পরও সন্তুষ্ট নয় দলের হাই কমান্ড। তাই উপজেলা নির্বাচনে শতভাগ সাফল্য না আসার কারণ খতিয়ে দেখতে চায় শাসক দল। পাশাপাশি এ ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সাংগঠনিকভাবে এগিয়ে যেতে চায় দলটি।
এদিকে উপজেলা নির্বাচনে সংগঠিত ব্যাপক সহিংসতা এবং বিরোধী দলের পক্ষ থেকে সরকারি দলের বিরুদ্ধে কেন্দ্র দখল, ভোট কারচুপি, জাল ভোট, ব্যালট বাক্স ছিনতাই ও সমর্থকদের ওপর হামলাসহ নানা অভিযোগকে অস্বীকার করেছে আওয়ামী লীগ। তারা বলছে, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত চতুর্থ উপজেলা নির্বাচন নিয়ে বিএনপি যেসব অভিযোগ করেছে, তা তাদের পুরনো অভ্যাসেরই বহি:প্রকাশ।
গত মঙ্গলবার শেখ হাসিনার ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনী সহিংসতা নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, এই উপজেলা নির্বাচন অতীতের যেকোন স্থানীয় নির্বাচনের চেয়ে সুষ্ঠু হয়েছে।
তিনি বলেছেন, “নির্বাচনের শুরু হয়েছে ভালোভাবে আবার শেষও হয়েছে ভালোভাবে। পঞ্চম ধাপে মাত্র ১জন নিহত হয়েছে তাও আবার আমাদের যুবলীগের কর্মী।”
ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, “সদ্য সমাপ্ত এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের তৃণমূলের সাংগঠনিক শক্তি সম্পর্কে সম্যকরূপে ধারণা অর্জনে সক্ষম হয়েছি। যা সংগঠনের ভবিষ্যৎ করণীয় ও উজ্জীবনে সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে। শতভাগ সফলতা না আসার কারণসমূহ চিহ্নিত করে প্রতিবন্ধকতাসমূহ অপসারণ করা সম্ভব হবে। ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে যাতে এগুলোর পুনরাবৃত্তি না ঘটে তার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা সহজতর হবে।”
আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন টাইমনিউজবিডিকে বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের দল বলেই উপজেলা নির্বাচনে বেশি আসন পেয়েছে। সরকার ও স্থানীয় সরকার মিলে দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একটাই চিন্তা দেশ ও জনগণের উন্নয়ন। উপজেলা নির্বাচনের পর তৃনমূলকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করার চেষ্টা করছি।
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত টাইমনিউজবিডিকে বলেন, বর্তমান সরকারের অধীনে উপজেলা নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে। আমাদের জনপ্রিয়তা থাকার কারণেই উপজেলায় আমরা বেশি আসন পেয়েছি। আমরা জয় পেয়েছি এটাই বড় কথা।
[b]ঢাকা, এমআর, ১ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম) //এআর [/b]
উপজেলা নির্বাচনের শিক্ষা নিয়ে তৃণমূল শক্তিশালী করতে চায় আ.লীগ
চতুর্থ উপজেলা নির্বাচন থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। সদ্য সমাপ্ত এ নির্বাচন থেকে তৃণমূলের সাংগঠনিক শক্তি সম্পর্কে ধারণা অর্জন করেছে দলটি। বিষয়টি মাথায় রেখেই সংগঠনের পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে। এমনটাই আভাস দিলেন দলটির নীতি নির্ধারকরা
দলীয় প্রতীক হারানোর শঙ্কায় মমতার তৃণমূল
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর ভাঙনের মুখে পড়া তৃণমূল কংগ্রেস এবার দলীয় প্রতীক ‘জোড়া ঘাসফুল’ হারানোর শঙ্কায় পড়েছে। দল থেকে বেরিয়ে যাওয়া বিদ্রোহী নেতারা নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা করার পর প্রতীকটির নিয়ন্ত্রণ নিয়েও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসে নেতৃত্বে ব্যাপক রদবদল
পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার গঠন হওয়ার পরেই প্রশাসনিক স্তরে বড়সড় রদবদল এনেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক দল। মূলত বিধানসভায় নিজেদের পরিষদীয় দলকে আরও শক্তিশালী করতে এই বদল আনে তৃণমূল কংগ্রেস।
পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের বিপর্যয়ের ৫ কারণ
পশ্চিমবঙ্গের সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখনো উত্তপ্ত। ভোটগণনায় ক্ষমতার পালাবদলের ইঙ্গিত স্পষ্ট হলেও তৃণমূল কংগ্রেস এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে পরাজয় স্বীকার করেনি। বরং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, নির্বাচন কমিশনের সহায়তায় বিজেপি অন্তত একশ’ টি আসন ‘লুট করে নিয়েছে’। তারা যুক্তি দিচ্ছেন, লাখ লাখ মানুষকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিয়ে যে নির্বাচন তা কখনোই সুষ্ঠু ও অবাধ বলে মানা যায় না।
ভারতের বিধানসভা নির্বাচন পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ১৮২ আসনে, তৃণমূল ১০৯
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনায় এখন পর্যন্ত পাওয়া ফলাফল অনুযায়ী বিজেপি এগিয়ে আছে। বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে গণনায় দেখা যায়, ২৯৪ আসনের মধ্যে বিজেপি ১৮২টি আসনে এগিয়ে রয়েছে।
ভারতের নির্বাচন প্রাপ্ত ফলাফল বিজেপি ১৫০ আসন, তৃণমূল ১২৫
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনায় বিজেপি এগিয়ে আছে ১৫০ আসনে, তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে আছে ১২৫টিতে। কংগ্রেস দল এগিয়ে চার আসনে, অন্যরা একটি আসনে।
















