কাঁদলেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর কবর জিয়ারত করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। আগে থেকেই সেখানে নেতাকর্মীরা অবস্থান করছিলেন ।

সোমবার বিকেল ৫টা ৩৯ মিনিটে খালেদা জিয়া তার গুলশানের বাসা থেকে বের হন। বিকেল ৫টা ৪৯ মিনিটে তিনি বনানী কবরস্থানে পৌঁছান।

এসময় তিনি অপলক দৃষ্টিতে ছেলের কবরের পাশে কিছুক্ষণ নিরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে ছেলের আত্মার মাগফেরাত কামনায় ফাতিহা পাঠ, দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন খালেদা জিয়া। মোনাজাত শেষে তিনি ছেলের কবরের পাশে কিছুক্ষণ নিরবে বসে থাকেন।

এ সময় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, মীর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, সাবিহ উদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, মহিলা দলের সভাপতি নূরে আরা সাফা, সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা ও নির্বাহী কমিটির সদস্য শামা ওবায়েদ, খালেদা ইয়াসমিন, কৃষকদল নেতা শাজাহান মিয়া সম্রাট, মহিলা দল নেত্রী সুলতানা রহমানসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা। 

আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে আরাফাত রহমান কোকো’র ছোট মামী কানিজ ফাতেমাসহ তাদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

গত ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ার একটি হাসপাতালে মারা যান খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো। পরে তাকে ঢাকায় এনে ২৭ জানুয়ারি রাজধানীর বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়। ওইসময় খালেদা জিয়া তার নিজ কার্যালয়ে কার্যত ‘অবরুদ্ধ’ ছিলেন। তাই ‘মা’ খালেদা জিয়াকে দেখানোর জন্য ছেলের মরদেহ গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া আসা হয়। সেখানে খালেদা জিয়া শেষবারের মতো ছেলে আরাফাত রহমান কোকো’কে অশ্রুসিক্ত নয়নে বিদায় জানান।

এর আগে ২৮ জানুয়ারি মরহুম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো’র কবর জিয়ারত করেছেন তার স্ত্রী শর্মিলা রহমান, দুই সন্তান জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমান। তাদেরকে কবর স্থানে নিয়ে যান ছোট মামা শামীম ইস্কান্দার। ওই সময় শামীম এস্কান্দারের স্ত্রী কানিজ ফাতেমা,  বড় মামা মরহুম সাঈদ ইস্কান্দারের স্ত্রী নাসরিন সাঈদসহ তাদের পরিবারের সদস্যরাও কোকোর কবর জিয়ারত করেন।

জেআই