ওলামালীগ পাঠানো এক ববিৃতিতে বলেন,বিশ্ব ইতিহাসের মানব সভ্যতায়, ৩রা নভেম্বর অত্যান্ত বেদনাময় এক কলঙ্কিত দিন।
সাড়ে সাত কোটি মানুষের প্রাণের স্পন্দন, ৭৫ সালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অত্যান্ত নির্মমভাবে ইয়াজিদ ও সিমারের অনুগতরা নিভৃত প্রকোষ্ট বন্দি মহান মুক্তিযুদ্ধের চরজন সাহসী ও বিপ্লবী মেধাভিত্তিক সৈনিক ও সর্বকালের সর্বযুগের শ্রেষ্ঠ বাংগালী শহীদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রহমতুল্লাহি আলাইহির অত্যান্ত ঘণিষ্ট সহচর শহীদ তাজউদ্দীন আহম্মেদ, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম, শহীদ ক্যাপটেন মনসুর আলী ও শহীদ মোহাম্মদ কারুজ্জামানকে জেলখানায় কারা অভ্যান্তরে নির্মমভাবে হত্যা করে স্বাধীন বাংলার ইতিহাসে এক কলঙ্কময় অধ্যায় রচনা করেছিলো উচ্চাভিলাসী সামরিক জান্তারা।
বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি আলহাজ্জ হাফেজ মাওলানা আব্দুস সাত্তার ও ওলামা পরিষদের সভাপতি আলহাজ্জ মুফতি মাসুম বিল্লাহ নাফেয়ী এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ঘাতক খন্দকার মুস্তাকের নির্দেশে জেলখানার অভ্যান্তরে নৃসংশভাবে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়েছে।
অথচ জেলখানা হচ্ছে নিরাপদ স্থান, কেন্দ্রীয় কারাগারের ফলকে লেখা আছে “রাখিব নিরাপদ দেখাবো আলোর পথ।” বঙ্গবন্ধুর খুনিসহ জাতীয় চার নেতার হত্যাকারীদের মধ্যে যারা বহিঃবিশ্বে পলাতক রয়েছে- তাদেরকে অতিদ্রুত ইন্টারপোলের মাধ্যমে ধরে এনে রায় কার্যকর করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।
শেষে চার জাতীয় নেতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে ঢাকা হাইকোর্ট মাজারে মীলাদ শরীফ ও দোয়ার মাধ্যমে তাদেরকে মহান আল্লাহ পাকের দরবারে দুই হাত তুলে ফরিয়াদ করেন, আয় আল্লাহ পাক! বঙ্গবন্ধুসহ তার চারজন সহচরকে বেহেস্তের উচ্চ স্থানে বাসস্থানের ব্যবস্থা করেন।
এমএ





