রাজাকারদেরকেও এই সরকারের পক্ষে কাজ করলে মুক্তিযোদ্ধা বানানোরও ইতিহাস রয়েছে। এই সরকার নিজেদেরকে যতই গণতান্ত্রিক সরকার দাবি করুক না কেন মূলতঃ তারা দেশটাকে বাকশালের চুড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন এনডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা।

তিনি বলেন, মন্ত্রী সভার সর্বশেষ বৈঠকে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ব্যবহার করার সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে সরকারের কালো অধ্যায়ের নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে।

বুধবার বিকাল ৩টায় তৃণমুল নাগরিক আন্দোলনের উদ্যোগে অধ্যাপক ড. পিয়াস করিমের ১ম স্মরণ সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এনডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা এসব কথা বলেন।

মঞ্জুর হোসেন ঈসা বলেন, ভোটারবিহীন সরকার কোনদিনও সম্মানিত গুণী ব্যক্তিদের সম্মান করেননি। বরং বারবার তাদের অপমানিত করেছেন। জীবদ্দশায় ও মৃত্যুর পরেও এই করুণ দৃশ্য দেখতে হয়েছে জাতীকে। অধ্যাপক ড. পিয়াস করিম গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিজেকে উজাড় করে দিয়েছিলেন। জীবনের শুরুতে বাম রাজনীতির আন্দোলনে যুক্ত থাকলেও শেষ দিকে এসে একজন আদর্শীক জাতীয়তাবাদের ধারক ও বাহক হয়ে উঠেছিলেন তিনি।

আর সে কারণেই সবসময় সত্য কথা বলতে গিয়ে জীবদ্দশায় অনেক নির্যাতন ও নিগৃহীত হয়েছিলেন তিনি। মৃত্যুর পরেও শত্ররা তার লাশটি পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিতে দেয়নি। কিন্তু তিনি সত্য উচ্চারণে যে সাহস দেখিয়েছিলেন সেটি সঞ্চয় করলে যেকোন স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে বিজয় নিশ্চিত।

তিনি আরো বলেন, নোবেল জয়ী ডক্টর ইউনূস থেকে শুরু করে কাউকে অপমান করতে ছাড়েনি এই সরকার। যারা বর্তমান সরকারের বিপক্ষে কথা বলেন তারা মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার হলেও তাদেরকে রাজাকার বানাতে এক মিনিটও দ্বিধা করে না।

তারা কখনোই গণতান্ত্রিক পথে হাঁটতে চায় না। আর যারাই বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদেরকে অপমান-অপদস্ত, হামলা-মামলা ও নির্যাতনের মাধ্যমে বিদায় দিয়েছে।

সংগঠনের সভাপতি মফিজুর রহমান লিটনের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে.এম রকিবুল ইসলাম রিপন, সংগঠনের সহ সভাপতি শাহনুর, মানবাধিকার সংগঠক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, সাইফুল ইসলাম, কাজী মিরাজ হোসেন প্রমুখ।

এমএ