মধ্যবর্তী নির্বাচনের সম্ভাবনাকে ফের নাকচ করে দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, ‘জাতীয় নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী যথা সময়ে অনুষ্ঠিত হবে।’

বুধবার দুপুরে রাজধানীর কমলাপুরে বিআরটিসি বাস ডিপোতে আয়োজিত এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন আওয়ামী লীগের এ সাধারণ সম্পাদক।

এ সময় অপর এক প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের নির্বাচনী রোডম্যাপকে আওয়ামী লীগ ইতিবাচক হিসেবেই দেখছে।’ 

বিআরটিসির চেয়ারম্যান ও অতিরিক্ত সচিব মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত বিআরটিসি শ্রমিক কর্মচারীদের বকেয়া বেতন ভাতা ও গ্রাচ্যুইটি প্রদান উপলক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়। 

সেবার মান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘বিআরটিসিকে সুনামের জায়গায় ফিরিয়ে আনতে হবে, অনিয়ম দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে।’ এ সময় সংশ্লিষ্ঠদের আরো দায়িত্বশীল হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘বিআরটিসি জনগণের ও যাত্রীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন কতটুকু জনপ্রত্যাশা পূরণ করতে পেরেছে?’ 

বিআরটিসি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, ‘গাড়িতে এসি ঠিক আছে কিনা, ফ্যান চলে কিনা, সিট ঠিক আছে কিনা, ছাল উঠে গেছে কিনা এসব আরো নজরদারি করতে হবে। দেখতে হবে গাড়ির ভেতরে আবার মশার কারখানা হয়ে আছে কিনা।’ 

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আমি রাস্তায় যাই, আমাকে জনগণের অভিযোগ শুনতে হয়। জবাবদিহিতা করতে হয়।’ ডিপো ম্যানেজারদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, ‘বিআরটিসিকে সুনামের জায়গায় ফিরিয়ে আসতে হবে। অনিয়ম দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। ডিপো ম্যানেজারদের বিরুদ্ধে এমন এমন অভিযোগ আসে যে লজ্জা পাই। কত টাকা প্রয়োজন আপনাদের? যারা সীমা লঙ্ঘন করছেন তারা ছাড় পাবেন না।’ 

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘বিআরটিসির জন্য সরকার শুধু দিয়েই যাবে? বিনিময়ে কিছু পাবে না, তাকি হয়? আপনারা বিআরটিসিকে লাভজনক করে তুলুন তাহলে আপনারাও দ্রুত রাজস্ব খাতে যেতে পারবেন।’ চালকদের উদ্দেশ্যে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আপনার যারা গাড়ি চালান তারা গাড়িকে সন্তানের মতো যত্ন নিন। এখান থেকে আপনাদের রুজি রুটির ব্যবস্থা হয়।’

এমএনজে