বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও দলটি মুখপাত্র ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেছেন, ‘বিএনপির যুগ্ম-মহাসিচব সালাহ উদ্দিন আহমেদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় দেশি-বিদেশি কোনো গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেননি।’
মঙ্গলবার বিকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।
বাংলাদেশি একটি দৈনিককে সালাহ উদ্দিন সাক্ষাৎকার দিয়েছেন এমন সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
ড. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘ভারতে আইনের শাসন রয়েছে। তাদের নিয়ম-নীতির বাইরে কোনো সাক্ষাৎকার দেয়া সম্ভব নয়। হাসপাতালে আনা-নেয়ার পথে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কিছু কথা বলেছেন। ওই কথার ওপরেই কিছু তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশ করেছে।’
‘সালাহ উদ্দিন সাহেবের স্ত্রী হাসিনা আহমেদ এবং আমাদের দলের দপ্তর সম্পাদক আবদুল লতিফ জনি আমাদের নিশ্চিত করেছেন তিনি কোনো সাক্ষাৎকার দেননি’ যোগ করেন তিনি।
বিএনপি মুখপাত্র বলেন, ‘ঢাকার কিছু পত্রপত্রিকায় তার সাক্ষাৎকারের বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে। সঠিক তথ্য ছাড়া সংবাদ প্রকাশ করলে সালাহ উদ্দিন সাহেব ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। উনি নিখোঁজ হওয়ার পর আপনারা যেভাবে মানবিক দিক বিবেচনা করে সংবাদের গুরুত্ব দিয়েছেন। এখনো মানবিকভাবে বিষয়টা বিবেচনা করবেন।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা গতকাল এই বিষয়ে গণমাধ্যমে বিবৃতি পাঠিয়েছি এবং দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনে আলদাভাবে প্রতিবাদ পাঠিয়েছি। তাদেরকে বলেছি- সালাহ উদ্দিন আহমেদের সাক্ষাৎকারের বিষয়টা সত্য নয়।’
সংবাদ সম্মেলনে সহ-দপ্তর সম্পাদক আবদুল লতিফ জনি বলেন, ‘শিলং হাসাপাতালে সালাহ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে দেখা করতে গেলে প্রশাসনের অনুমতি নিতে হয়। ভারত সরকার তার নিরাপত্তার বিষয়ে যথেষ্ট যত্নশীল।’
তিনি বলেন, ‘ওই হাসপাতালটি হাই-সিকিউরিটি সম্পন্ন। ওখানে প্রবেশ করতে হলে প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে শরীর স্কানিং করতে হয়। সাংবাদিক, পত্রিকা, কলম-কাগজ ও মোবাইলসহ পাবলিকের কোনো বিষয় নিয়ে প্রবেশ করতে পারে না।’
জনি বলেন, ‘সালাহ উদ্দিন সাহেবকে ভারত সরকার আশ্রয়, নিরাপত্তা ও উন্নত চিকিৎসা দেয়ার জন্য ভারত সরকারের কাছে তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।’
এমএইচ/এমকে





