প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালের ১৭ মে ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে বাংলাদেশের মানুষকে ভালবেসে এদেশে আগমন করেছিলেন। তার আগমনে তখন দিশেহারা জাতি আশায় বুক বেধেছিলো। আজ তার নেতৃত্বে দেশ উন্নয়নের পথে অদম্য গতিতে এগিয়ে চলেছে। তাই ওই দিনটি শুধু শেখ হাসিনার আগমন ছিলো না, সেদিন ছিলো একটি জাতির তার স্বরুপে প্রত্যাবর্তন বলে মনে করেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর ৩৫তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়।

আমু বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশে আসার পরে বললেন, জনগণের ক্ষমতায়ন ছাড়া জাতির মুক্তি আসতে পারেনা। তাই তিনি বাংলাদেশের প্রতিটি জনপদে ঘুরে মানুষের অধিকার আদায়ে সংগ্রাম করেছেন। জনগণের রায় নিয়ে তিনি তিনবার প্রধানমন্ত্রী হয়ে সর্বক্ষেত্রে দেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। তাই তিনি আজ বিশ্বের অন্যতম শান্তির মডেল ও বিশ্ব নেতা।

সমাবেশের শুরুতে আবৃত্তি করে শোনান সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জমান নূর। এছাড়া শিল্পকলা একাডেমীর মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর নির্দেশনায় ও অনিক ঘোষের পরিচালনায় গীতিনাট্য পরিবেশন করেন শিল্পকলার নৃত্যশিল্পীবৃন্দ।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমের সভাপতিত্বে সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন- সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, নূহ উল আলম লেলিন, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, এ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ড. আব্দুর রাজ্জাক, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক লে. কর্ণেল(অব:) ফারুক খান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, রেলপথ মন্ত্রী মুজিবুল হক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবেদ খান, অর্থনীতিবিদ খালেকুজ্জমান, ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেইন প্রমুখ।

এমআইএস