খালেদা জিয়া ও তার গাড়িবহরে হামলার প্রতিবাদে স্বাধীনতা ফোরাম আয়োজিত মানববন্ধনে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড কাউন্সিল লীগ হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত মানববন্ধনে হামলা চালায় প্রজন্ম লীগ।
এ সময় ৩০-৩৫ নেতাকর্মী নিয়ে হামলার নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড কাউন্সিল লীগের সদস্য আমির হোসেন। তাদের হামলায় স্বাধীনতা ফোরামের কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন। তাদের মধ্যে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য খালেদা ইয়াসমিন ও মঞ্জরুল নামে এক কর্মীর শরীর থেকে রক্ত পড়তে দেখা যায়।

হামলাকারী বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড কাউন্সিল লীগের নেতাকর্মীদের কাছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরশনের মেয়র প্রার্থী সাঈদ খোকনের ব্যানার ও পোস্টার দেখা যায়।
মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ও আদর্শ ঢাকা আন্দোলনের আহ্বায়ক এমাজউদ্দিনের থাকার কথা ছিল। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খানসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী।
এ হামলার ঘটনায় চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি একে বাকস্বাধীনতা হরণ ও সুস্থ গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে বাধা হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

তিনি বলেন, ‘এ ভাবে হামলার মধ্যদিয়ে আওয়ামী লীগ ও তাদের সন্ত্রাসী অঙ্গসংগঠনের ক্যাডাররা দেশকে একদলীয় শাসনের দিকে নিয়ে যেতে চায়। বাংলাদেশের মানুষ তাদের সেই সাধ কোনো দিন পূরণ হতে দেবে না। জনগণের তীব্র আন্দোলনের মুখে তাদের স্বপ্নসাধ ধূলায় মিশে যাবে।’
এএইচ





