রাজধানীর বাংলামোটর এলাকা থেকে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা কেন্দ্রীয় নেতা আশরাফুল আলমসহ পাঁচজনকে পুলিশ আটক করেছে বলে অভিযোগ করেছে সংগঠনটি।
শনিবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল জব্বার ও সেক্রেটারি জেনারেল আতিকুর রহমান এ অভিযোগ করেন। আটকের বিষয়টি পলিশ এখনও পর্যন্ত স্বীকার করছে না বলেও তারা বিবৃতিতে উল্লেখ করেন।
বিবৃতিতে শিবির নেতৃবৃন্দ বলেন, শনিবার বাংলামোটর এলাকা থেকে শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা আশরাফুল আলমসহ আরও চারজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। কিন্তু এখন পর্যন্ত তার গ্রেফতারের বিষয়টি স্বীকার না করায় আমরা উদ্বিগ্ন।
তারা বলেন, সরকারের সীমাহীন ব্যার্থতাকে আড়াল করতে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে দেশব্যাপী গণগ্রেফতার চালানো হচ্ছে। সেই সাথে এই জুলুম নির্যাতনকে আড়াল করতে বিষ্ফোরক নাটকের আশ্রয় নিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। আমরা দেশব্যাপী এই গণগ্রেফতার ও বিষ্ফোরক নাটকের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
শিবির নেতৃবৃন্দ বলেন, শুক্রবার ফকিরাপুলের এক মেস থেকে ৬ জনকে গ্রেফতার করে বিষ্ফোরক উদ্ধারের নাটক সাজানো হয়। আজ বিভিন্ন গণমাধ্যম 'ফকিরাপুলে একটি ভবন থেকে ছাত্রশিবির নেতাকর্মীদের বিষ্ফোরক ও জিহাদী বইসহ আটক করা হয়েছে' উল্লেখ করে খবর প্রকাশ করে।
শিবির নেতৃবৃন্দ আরও অভিযোগ করেন, কিছু গণমাধ্যমে এটাকে ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগরী পূর্বের অফিস হিসেবে উল্লেখ করেছে যা সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে সাজানো মিথ্যাচার।
তারা বলেন, আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে চাই, সেখানে ছাত্রশিবিরের কোন অফিস নেই এবং তথাকথিত বিষ্ফোরকের সাথেও ছাত্রশিবিরের কোন সম্পর্ক নেই। সরকার জনগণের দৃষ্টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে মেস থেকে নিরাপরাধ ছাত্রদের গ্রেপ্তার করে পরিকল্পিতভাবে এসব মিথ্যাচার ও নাটক করছে।
এসব পুরোনো সাজানো নাটক জনগণ ধিক্কারের সাথে প্রত্যাখ্যান করে আসছে বলেও বিবৃতিতে বলেন দুই শিবির নেতা।
অনতিবিলম্বে গ্রেফতারকৃত শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা আশরাফুল আলমসহ সবাইকে আদালতে হাজির করার জোর দাবী জানিয়ে বিবৃতিতে শিবির নেতারা বলেন, দেশব্যাপী চলমান গণগ্রেফতার বন্ধ করে জনগনের সাংবিধানিক অধিকারে হস্থক্ষেপ না করার আহবান জানাচ্ছি।
কেবি





