একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত জামায়াতে ইসলামীর জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মাওলানা একেএম ইউসুফ সংজ্ঞা হারানোর পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যথাযথ চিকিৎসা না দেয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ বড় ছেলের।
মাওলানা ইউসুফের বড় ছেলে একেএম মাহবুবুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, রোববার ভোরে তিনি কারাগারে সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলেন। এরপরে তাকে সকাল ৯টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের প্রিজন সেলে নিয়ে আসে পুলিশ। দুপুর ১২টার দিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান বাবা মারা গেছেন।
তিনি অভিযোগ করেন, বাবা দীর্ঘদিন যাবত অসুস্থ থাকায় আমরা ট্রাইব্যুনালে বার বার জামিন আবেদন করলেও আদালত তা নাকোচ করে দেন। অসুস্থ অবস্থায় কারাগারে সঠিক তত্ত্বাবধানের অভাবেই তার মৃত্যু হয়।
এদিকে ইউসুফের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এইচএম তামীম জানিয়েছেন, সকাল ১১টার আগে তারা বিএসএমএমইউ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকের কাছ থেকে নিশ্চিত হন মাওলানা ইউসুফ জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন।
তিনি জানান, খবর পেয়ে দুপুর ১২টার দিকে ইউসুফের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিজানুল ইসলাম ও ইউসুফের বড় ছেলে একেএম মাহবুবুর রহমানসহ তারা হাসপাতালে ছুটে আসেন। সেখানে হাসপাতালের বারান্দায় ইউসুফকে একটি শয্যায় শায়িত দেখেন। এ সময় তার পাশে কোনো চিকিৎসক ছিল না।
বিএসএমএমইউ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ইউসুফকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেছেন বলেও দাবি করেন অ্যাডভোকেট তামীম। তিনি বলেন, কারাগারে ভোরে অসুস্থ হওয়ার পরেও দীর্ঘ সময় ধরে কোনো চিকিৎসা না দেয়ায় সেখানেই তার মৃত্যু হয়। পরে মৃত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে আনা হয়।
তবে বিএসএমএমইউ’র পরিচালক আব্দুল মজিদ ভুঁইয়া জানান, আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে একেএম ইউসুফকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। গুরুতর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। তাঁর ‘ব্লাড প্রেসার ও পালস’ (রক্তচাপ ও স্পন্দন) পাওয়া যাচ্ছিল না। হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগের সিসিইউতে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।
[b]ঢাকা, জিই ফেব্রুয়ারি ৯ (টাইমনিউজবিডি.কম) // কে বি [/b]
রাজনীতি
যেভাবে মারা গেলেন একেএম ইউসুফ
একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত জামায়াতে ইসলামীর জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মাওলানা একেএম ইউসুফ সংজ্ঞা হারানোর পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যথাযথ চিকিৎসা না দেয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ বড় ছেলের।





