নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, ‘সূত্র না জানায় বিএনপি নেতাদের রাজনীতির অংক মেলেনি। তাই পরাজিত সৈনিকের মতো ঘরে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছেন। ওনারা পেট্রোলবোমা মেরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু জনগণ তাতে সাড়া দেয়নি। আর এখনও তারা যা বলছেন তা হাস্যকর।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৬৯তম জন্মদিন উপলক্ষে মঙ্গলবার এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স রুমে বাংলাদেশ আওয়ামী প্রচার লীগ নামের একটি সংগঠন এ আলোচনা সভা ও দোয়ার আয়োজন করে।

নৌপরিবহনমন্ত্রী বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া এবং তার দল বিএনপির নেতারা জাতীয় ঐক্যের কথা বলেন। কিন্তু জাতীয় ঐক্যের ভিত্তি কি হবে তা তারা বলেন না।’ বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্য নৌপরিবহনমন্ত্রী বলেন, ‘এ দেশের মানুষ গণতন্ত্র চায়। তবে সন্ত্রাসী গণতন্ত্র চায় না। জনসমর্থন ছাড়া শুধু অস্ত্র দিয়ে কাজ হয় না।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপি নেতারা সরকার পরিবর্তনের জন্য গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তনের কথা বলেছিলেন। যা ছিল ওনাদের ছেড়া কাথায় শুয়ে লাখ টাকার স্বপ্ন দেখার মতো। ওনারা জনগণকে রাজপথে আসার ডাক দিয়ে পেট্রোলবোমা মেরে তাদেরকেই ঘরে তুলে দিয়েছিলেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন ওনারা জনগণের ভয়ে কাছিমের মতো মুখ লকিয়ে রেখেছেন। সুযোগ বুঝে তাদের সন্ত্রাসী আর জঙ্গিবাদের গলা বের করবেন। কিন্তু তারা যাতে আর কখনোই এ দেশে সন্ত্রাস আর জঙ্গিবাদের গলা বের করতে না পারে তার জন্য জনগণ অতন্দ্র প্রহরীর মতো জেগে রয়েছেন। এ দেশের মানুষ পেট্রোলবোমা আর সন্ত্রাসের রাজনীতি আর কখনোই বরদাস্ত করবে না।’
বিএনপি নেতারা এখন বলছেন তারা নাকি নরম কর্মসূচি দিচ্ছেন। তাদের গরম কর্মসূচি দেশের মানুষ সমর্থন না করায় তারা এখন নরম পথ ধরেছেন বলে দাবি করেন নৌমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া আন্দোলনে পরাজিত হয়ে অফিস ছেড়ে বাড়ি ফিরতে বাধ্য হয়েছেন। অথচ আজও অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহার করেননি। ষড়যন্ত্রের পথ ধরে জিয়া ক্ষমতায় এসেছিলেন। জিয়ার পথ ধরে তার স্ত্রী বেগম জিয়াও সন্ত্রাস আর খুনের রাজনীতির মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করতে চেয়েছিলেন।’
বেগম জিয়ার উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘সন্ত্রাস পরিহার করে শান্তির পথ ধরুন। কারণ জনগণ সন্ত্রাস চায় না। তারা শান্তির জন্য ঐক্যবদ্ধ।’

‘শান্তির জন্য কাজ করছি, আসুন আমরা হিংসা, বিদ্বেষ ভুলে টেকসই গণতন্ত্রের জন্য কাজ করি’— খালেদা জিয়ার সম্প্রতি দেওয়া এই বক্তব্য সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘মনে হয় ওনার চৈতন্য হয়েছে। কিন্তু তারপরেও পেট্রোলবোমার সন্ত্রাসের বিচার হবে। যতই নরম সুরে কথা বলেন, আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবেই।’
মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নত বাংলাদেশ গড়ার পথ রচনা করেছেন। জাতি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে নিয়ে সেই পথেই ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ গড়তে সক্ষম হবে। নিয়ত গুণে বরকত হয়। শেখ হাসিনার নিয়ত ঠিক আছে। বরকতও হবে। তাই জয় আমাদের হবেই।’
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন- জাতীয় শ্রমিক লীগ বাংলাদেশের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য আলাউদ্দিন মিয়া, সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা আবু সায়েম শাহিন, এম এম শাহ আলম ও মুজিবুল হক বাদল। সভা শেষে শেখ হাসিনার জন্মদিনের কেক কাটা হয়।
এমএইচ'সূত্র না জানায় বিএনপির রাজনীতির অংক মেলেনি'
নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, ‘সূত্র না জানায় বিএনপি নেতাদের রাজনীতির অংক মেলেনি। তাই পরাজিত সৈনিকের মতো ঘরে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছেন। ওনারা পেট্রোলবোমা মেরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু জনগণ তাতে সাড়া দেয়নি। আর এখনও তারা যা বলছেন তা হাস্যকর।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৬৯তম জন্মদিন উপলক্ষে মঙ্গলবার এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স রুমে বাংলাদেশ আওয়ামী প্রচার লীগ নামের একটি সংগঠন এ আলোচনা সভা ও দোয়ার আয়োজন করে।
নৌপরিবহনমন্ত্রী বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া এবং তার দল বিএনপির নেতারা জাতীয় ঐক্যের কথা বলেন। কিন্তু জাতীয় ঐক্যের ভিত্তি কি হবে তা তারা বলেন না।’ বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্য নৌপরিবহনমন্ত্রী বলেন, ‘এ দেশের মানুষ গণতন্ত্র চায়। তবে সন্ত্রাসী গণতন্ত্র চায় না। জনসমর্থন ছাড়া শুধু অস্ত্র দিয়ে কাজ হয় না।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি নেতারা সরকার পরিবর্তনের জন্য গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তনের কথা বলেছিলেন। যা ছিল ওনাদের ছেড়া কাথায় শুয়ে লাখ টাকার স্বপ্ন দেখার মতো। ওনারা জনগণকে রাজপথে আসার ডাক দিয়ে পেট্রোলবোমা মেরে তাদেরকেই ঘরে তুলে দিয়েছিলেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘এখন ওনারা জনগণের ভয়ে কাছিমের মতো মুখ লকিয়ে রেখেছেন। সুযোগ বুঝে তাদের সন্ত্রাসী আর জঙ্গিবাদের গলা বের করবেন। কিন্তু তারা যাতে আর কখনোই এ দেশে সন্ত্রাস আর জঙ্গিবাদের গলা বের করতে না পারে তার জন্য জনগণ অতন্দ্র প্রহরীর মতো জেগে রয়েছেন। এ দেশের মানুষ পেট্রোলবোমা আর সন্ত্রাসের রাজনীতি আর কখনোই বরদাস্ত করবে না।’
বিএনপি নেতারা এখন বলছেন তারা নাকি নরম কর্মসূচি দিচ্ছেন। তাদের গরম কর্মসূচি দেশের মানুষ সমর্থন না করায় তারা এখন নরম পথ ধরেছেন বলে দাবি করেন নৌমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া আন্দোলনে পরাজিত হয়ে অফিস ছেড়ে বাড়ি ফিরতে বাধ্য হয়েছেন। অথচ আজও অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহার করেননি। ষড়যন্ত্রের পথ ধরে জিয়া ক্ষমতায় এসেছিলেন। জিয়ার পথ ধরে তার স্ত্রী বেগম জিয়াও সন্ত্রাস আর খুনের রাজনীতির মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করতে চেয়েছিলেন।’
বেগম জিয়ার উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘সন্ত্রাস পরিহার করে শান্তির পথ ধরুন। কারণ জনগণ সন্ত্রাস চায় না। তারা শান্তির জন্য ঐক্যবদ্ধ।’
‘শান্তির জন্য কাজ করছি, আসুন আমরা হিংসা, বিদ্বেষ ভুলে টেকসই গণতন্ত্রের জন্য কাজ করি’— খালেদা জিয়ার সম্প্রতি দেওয়া এই বক্তব্য সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘মনে হয় ওনার চৈতন্য হয়েছে। কিন্তু তারপরেও পেট্রোলবোমার সন্ত্রাসের বিচার হবে। যতই নরম সুরে কথা বলেন, আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবেই।’
মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নত বাংলাদেশ গড়ার পথ রচনা করেছেন। জাতি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে নিয়ে সেই পথেই ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ গড়তে সক্ষম হবে। নিয়ত গুণে বরকত হয়। শেখ হাসিনার নিয়ত ঠিক আছে। বরকতও হবে। তাই জয় আমাদের হবেই।’

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন- জাতীয় শ্রমিক লীগ বাংলাদেশের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য আলাউদ্দিন মিয়া, সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা আবু সায়েম শাহিন, এম এম শাহ আলম ও মুজিবুল হক বাদল। সভা শেষে শেখ হাসিনার জন্মদিনের কেক কাটা হয়।
এমএইচ