ঈদের পরে সরকার পতন আন্দোলনের হুমকি দিয়ে কোন লাভ নেই মন্তব্য করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, আগামী ৫ বছর আগে কোন নির্বাচন হবে না। আগে দল গোছান। তারপর আন্দোলনে নামেন।

বুধবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) অডিটরিয়ামে ‘গণতন্ত্র অবরুদ্ধ দিবস’উপলক্ষে ছাত্রলীগের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নাসিম বলেন, ২০১৯ সালে রাজপথে লড়াই হবে। আমরাও প্রস্তুত আছি। তার আগে আন্দোলনে নামলে ব্রাজিলের মতো ৭ গোল খাবেন।

বিএনপি সব হারিয়ে পথে পথে ঘুরছে মন্তব্য করে নাসিম বলেন,‘শুধু ইফতারি ছাড়া কোথাও বিএনপি জায়গা পাচ্ছে না। বিএনপি এমন দল গঠন করেছে, নেতাকর্মীরা বিপদের সময় পাশে থাকে না। আন্দোলনে নামার সাহস পায় না।

তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্র রক্ষার জন্য ৫ জানুয়ারির নির্বাচন খুবই জরুরি ছিল। অন্যথায় আজ সমগ্র দেশ জঙ্গিবাদের আস্তানা হতো। খালেদা জিয়া জামায়াতকে নিয়ে সে ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠেছিলেন। কিন্তু শেখ হাসিনা তা প্রতিহত করে গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করেছেন। সংবিধানের কোথাও উল্লেখ নেই বিএনপি না আসলে নির্বাচন হবে না। নির্বাচন করবে দেশের জনগণ। দেশের জনগণই ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে জয়ী করেছে। আর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ সুষ্ঠু সুন্দরভাবে পরিচালিত হচ্ছে।’ 

সংবিধান অনুযায়ী আওয়ামী লীগ নির্বাচন দিয়েছে দাবি করে নাসিম বলেন, ‘নির্বাচনে কেউ অংশগ্রহণ করুক কিংবা না করুক তাতে আমাদের কিছু আসে যায় না। বিএনপি নেত্রী হাজারো চেষ্টা করে নির্বাচনকে বানচাল করে গণতন্ত্র প্রতিহত করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাতে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন।

আলোচনা সভায় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলমের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপন, শেখ সোহেল রানা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী, সাজ্জাদ সাকিব বাদশা।

ঢাকা, ১৬ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেএ