মিশরের প্রেসিডেণ্ট ড. মুহাম্মদ মুরসিকে মৃত্যুদণ্ডপ্রদানের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর জনাব মকবুল আহমাদ।
আজ শনিবার এক বিবৃতির মাধ্যমে তিনি এ কথা জানান।
তিনি বলেন, মিশরের জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রথম প্রেসিডেণ্ট ড. মুহাম্মদ মুরসিকে ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতাচ্যূত করার পর তাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা মামলা দায়ের করে তাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।
তিনি আরো বলেন, স্বৈরশাসনকে পাকাপোক্ত করার জন্য মিশরের সামরিক জান্তা জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি ও জনগণের ওপর যে নির্যাতন চালাচ্ছে তা মানবাধিকার পরিপন্থী এবং চরম মানবতা বিরোধী অপরাধ।
সেনা শাসক আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করার পর থেকে মিশরের ঐতিহ্যবাহী প্রচীনতম ইসলামী সংগঠন মুসলিম ব্রাদারহুডের ওপর চরম নির্যাতন শুরু করে।
হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয়। মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রধান মুহাম্মদ বদিইসহ শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দকে মিথ্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডপ্রদান করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় মিশরের জনগণের ভোটে মিশরের ইতিহাসে প্রথম নির্বাচিত প্রেসিডেণ্ট ড. মুহাম্মদ মুরসিকে সামরিক জান্তার আদালতে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হল।
আমরা এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং মিশরে ইসলামী জনতার ওপর জুলুম-নিপীড়ন বন্ধ করে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য আহবান জানাচ্ছি।
মিশর সরকারের অবর্ণনীয় জুলুম-নির্যাতনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার জন্য জাতিসংঘ, বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা, বিশ্ব সম্প্রদায় বিশেষ করে মুসলিম বিশ্বের প্রতি আমি উদাত্ত আহবান জানাচ্ছি। সেই সাথে মিশরের প্রেসিডেণ্ট ড. মুহাম্মাদ মুরসিসহ মুসলিম ব্রাদারহুডের আটক সকল নেতৃবৃন্দকে অবিলম্বে মুক্তি প্রদান করার জন্য আহবান জানাচ্ছি।
এসএইচ





