সাম্প্রতিক উগ্রাবাদী হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সারা দেশে দলীয় নেতাকর্মীদের সর্বোচ্চ সজাগ ও সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। নিজ নিজ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদকদের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে দলের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
বেশ কিছু দিন ধরে বিভিন্ন স্থানে নতুন আঙ্গিকে উগ্রবাদী তৎপরতা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে বিভিন্ন স্থানে আত্মঘাতী উগ্রবাদী হামলায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে দেশের মানুষ। এসব ঘটনায় বহির্বিশ্বেও বাংলাদেশ সম্পর্কে নেতিবাচক বার্তা যাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে সরকারের শীর্ষ মহলও বেশ চিন্তিত। তবে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল রাজধানীতে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে বলেছেন, ‘যেভাবেই হোক উগ্রবাদী নির্মূলে আমরা বদ্ধপরিকর। এদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে। তবে যারা আত্মহননের এ পথ থেকে বেরিয়ে আসবে তাদের পুনর্বাসনে যা যা করার সরকার সব করবে।’
সূত্রগুলো জানায়, উগ্রবাদীদের ব্যাপারে সরকারের কঠোর অবস্থান স্পষ্ট হলেও তাদের তৎপরতা নিয়ে খানিকটা উদ্বিগ্ন সরকারের নীতিনির্ধারকরা। বিশেষ করে সিলেটে আত্মঘাতী উগ্রবাদী হামলায় হতাহতের ঘটনায় বেশ চিন্তিত তারা। সে জন্য উগ্রবাদীদের ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতার নির্দেশ দেয়া হয়েছে নেতাকর্মীদের। একই সাথে নিজ নিজ এলাকায় আশপাশে নজর রাখতে বলা হয়েছে তাদের। গত শনিবার বিকালে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে তার একান্ত ব্যক্তিগত সহকারী (এপিএস) সাইফুজ্জামান শিখর আওয়ামী লীগের বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদকদের এ নির্দেশনার কথা জানিয়েছেন।
সে আলোকে সাংগঠনিক সম্পাদকেরা নিজ নিজ বিভাগের জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের ফোন করে কেন্দ্রের নির্দেশনার কথা জানিয়ে দেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সাংগঠনিক সম্পাদক সতর্কতার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান ফারুক বলেন, আমাদের বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক ফোন করে দলের সব নেতাকর্মীকে সজাগ থাকতে বলেছেন।
টাইম নিউজ.নেট/ মাহমুদ





