বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার বলেছেন, ১৯৭১ সালে ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী হত্যার মধ্য দিয়ে জাতিকে মেধাশূণ্য করার যে চক্রান্ত শুরু হয়েছিল তার ধারাবাহিকতায় নতুন উপায়ে জাতিকে সরকার উপায় জাতিকে মেধাশূন্য করছে।

রবিবার বিকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল – বিএনপি আয়োজিত শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে এদেশের মাটিতে থেকে ৯ মাস যুদ্ধ করেছেন। স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে আওয়ামী লীগ বিতর্ক সৃষ্টি করতে চায়।

কিন্তু এদেশের মানুষ জানে কে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। ইতিহাস মাথাচারা দিয়ে উঠেছে তাতে প্রমাণ হয়েছে শেখ মুজিব স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়নি, দিয়েছেন জিয়াউর রহমান।

এমকে আনোয়ার বলেন, সরকার লুটপাট করার জন্য উঠেপরে লেগেছে। সারাদেশের মানুষের উপর নির্যাতন করছে। জিয়া পরিবারের নামে বিষদগার করছে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা।

তিনি বলেন, মানুষের চলার অধিকার দিতে হবে। সব পরীক্ষায় শতভাগ পাশ করিয়ে দেয় তাতে ছেলেমেয়েরা লেখাপড়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে।

বিএনপির এই শীর্ষনেতা বলেন, দেশের মানুষ বেগম খালেদা জিয়ার দিকে তাকিয়ে আছে। তাই আসুন সবাই মিলে এদেরকে প্রতিরোধ করি। সংগ্রাম করে এ অবৈধ ও স্বৈরাচারী সরকারকে হটিয়ে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধকে সম্মান করি।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. এমাজ উদ্দিন আহমেদ, প্রফেসর ড. খন্দকার মোস্তাহিদুর রহমান, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শওকত মাহমুদ ।

আলোচনা সভা পরিচালনা করেন বিএনপির প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক জয়নাল আবেদিন ফারুক।

এছাড়া আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান, যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ঢাকা মহানগরের বিএনপির সদস্য সচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, সহদফতর সম্পাদক আব্দুল লতিফ জনি, আসাদুল করিম শাহীন, শামিমুর রহমান শামীম, সহ তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিব, নির্বাহী কমিটির সদস্য এ্যাডভোকেট আবেদ রাজা, হেলেন জেরিন খান, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা প্রমুখ।

এমএইচ/এসএইচ