বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রুহল আমীন গাজী সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, 'মিডিয়ার উপর অত্যাচার চালিয়ে নিজেদের ধ্বংস ডেকে আনবেন না।’ 

মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার উপর সরকারের হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন(বিএফইউজে) এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।

রুহল আমীন গাজী বলেন, 'এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা কোন সরকার যদি করতে চায় তাহলে তাদের প্রধান লক্ষ থাকে গনমাধ্যম। পৃথিবীর কোন দেশে মিডিয়ার উপরে এরকম নির্যাতন চলছে না। তাই সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলছি মিডিয়ার উপর এ রকম অত্যাচার চালিয়ে নিজেদের ধ্বংস ডেকে আনবেন না।’

বর্তমান সরকার শতশত সাংবাদিককে বেকার করে দিয়েছে মন্তব্য করে পেশাজীবী এই নেতা বলেন, ফ্যাসিবাদী কায়দায় মিডিয়ার উপর আক্রমন করে অতীতে কোন সরকার চিরস্থায়ী হতে পারে নি আপনিও পারবেন না। সে দিন বেশি দূরে নয়, সারা দেশের মিডিয়ার লোক এক কাতারে এসে এই সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়বে।’

তিনি বলেন, ‌'আজকে এক শ্রেনীর সাংবাদিক আছেন। তারা বলে গণমাধ্যম নাকি স্বাধীন। তাহলে সাগর রুনিসহ ২৫ জন সাংবাদিক হত্যার বিচার হচ্ছে না কেন। দিগন্ত, আমার দেশ ইসলামিক টিভি বন্ধ কেন?'

‘বর্তমান সরকারকে গণমাধ্যমের শত্রু আখ্যায়িত করে ফেডারেলে সাংবাদিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এ আব্দুল লতিফ বলেন, এই সরকার গণমাধ্যম দমনে একের পর এক রেকর্ড গড়েছে। অতীতে কোন নির্বাচনে সাংবাদিকরা নির্যাতিত হয়নি। এই নির্বাচনে সে রেকর্ড গড়েছে এই সরকার।' 

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার ভোট ডাকাতের সরকার। তার প্রমাণ বাংলাদেশের মানুষ ৫ জানুয়ারি পেয়েছিলো, আবার ২৮ এপ্রিল সিটি নির্বাচনে পেয়েছে।'

মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী, সাংবাদিক এম এ আজিজ প্রমুখ।

এমএ/এএইচ