বেগম জিয়ার মুক্তি এবং গণতন্ত্রকে মুক্ত করার আন্দোলনে পেশাজীবীরাও রাজপথে থাকবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনে রাজনৈতিক কার্যালয়ে পেশাজীবীদের সঙ্গে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, “বাংলাদেশের গণতন্ত্র যে এখন বিপন্ন হয়ে গেছে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে, মিথ্যা মামলায় সাজা দেয়া তারই প্রমাণ। গণতন্ত্রের প্রতীক খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে কারারুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। দেশের আপামন জনগণের মতো পেশাজীবীরাও এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন।”
তিনি আরও বলেন, “আগামী দিনে দেশনেত্রী বেগম জিয়ার মুক্তি এবং গণতন্ত্রকে মুক্ত করার আন্দোলনে পেশাজীবীরাও রাজপথে থাকবে।”
বৈঠকে মোবাইলে বক্তব্য রেখেছেন লন্ডন অবস্থানরত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি অতীতে দেশ ও রাজনীতির সকল দুর্যোগ দুর্দিনে পেশাজীবীদের গৌরবোজ্জল ভূমিকার কথা স্মরন করিয়ে দেন। দেশের বর্তমান সংকট মোকাবিলায় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, সুষ্ঠু নির্বাচনে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের দাবি আদায় ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে জোরালো আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
সরকারের কোনো ফাঁদে পা না দেয়ার জন্য সতর্ক করে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন এগিয়ে নেয়ার আহ্বান জানান। পেশাজীবী নেতারাও বিএনপির পাশাপাশি আলাদা কর্মসূচি দেয়ার ব্যাপারে তাদের মতামত ও পরিকল্পনার কথা জানান।
এর আগে বিকাল সাড়ে ৪টায় গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এই বৈঠক বসেন তারা। ৬টায় বৈঠক শেষ হয়।
রুদ্ধদ্বার এই বৈঠকে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারা অন্তরীনের পর দলের কর্মকৌশল কী হওয়া উচিৎ তা নিয়ে পেশাজীবী নেতারা পরামর্শমূলক বক্তব্য রাখেন।
বৈঠকে বিএনপি নেতাদের মধ্যে ছিলেন- মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান বরকতুল্লঅহ বুলু, যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।
এছাড়া, পেশাজীবীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- ডা.এ জেড এম জাহিদ হোসেন, শওকত মাহমুদ, রুহুল আমিন গাজী, সৈয়দ আবদাল আহমেদ, অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া, আব্দুল কুদ্দুস, ড.অধ্যাপক আব্দুল কায়েস ভূইয়া, আব্দুল মান্নান মিয়া, সিরাজউদ্দীন আহমেদ, প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমান, এ কে এম আজিজুল হক, আ ন হ আক্তার হোসেন, আব্দুল আলিম, কৃষিবিদ ইব্রাহিম মিয়া, আনোয়ারুন নবী মজুমদার বাবলা, শামিমুর রহমান শামিম, হাসান জাফির তুহিন, সাংবাদিক কাদের গণি চৌধুরী, ফিরোজা খাতুন, শাহিদা রফিক, আক্তার হোসেন, শাকিল ওয়াহিদ, আলমগীর কবির, কণ্ঠশিল্পী মনির খান, মোস্তফা রহিম স্বপন ও ইলিয়াস খান প্রমুখ।
এমবি





