সরকারই প্রতিনিয়ত মানবতাবিরোধী অপরাধ করছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।
তিনি আজ হরতাল পরবর্তী মহানগর জামায়াতের প্রচার বিভাগের সদস্য এম আলাউদ্দিন আরমান স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই অভিযোগ করেন।
মীর কাসমে আলীকে শহীদ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইতিহাসের জঘন্যতম মিথ্যাচার ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জামায়াতের নির্বাহী পরিষদ সদস্য, অর্থনীতিবিদ ও সমাজ সেবক শহীদ মীর কাসেম আলীকে পৈশাচিকভাবে হত্যা করা হয়েছে। মূলত সরকার দেশকে নেতৃত্বশূণ্য করতেই জামায়াতের শীর্ষনেতাদের বিশেষভাবে টার্গেট করেছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, যে আইনে জামায়াতের শীর্ষনেতাদের বিচার করা হচ্ছে সে আইনতো আন্তর্জাতিকমানে উত্তীর্ণ নয়ই; বরং সে আইনে দেশীয় মানও রক্ষা করা হয়নি। দলীয় ও আজ্ঞাবাহী প্রসিকিউশন, সাজানো বাদী ও পাতানো সাক্ষীর মাধ্যমে একের পর এক জাতীয় নেতাদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, সরকার জামায়াতের শীর্ষনেতাদের সন্তানদেরও অপহরণ করে গুম করছে যা ইতিহাসের সকল নির্মমতা ও নৃশংসতাকে হার মানিয়েছে। কথিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের নামে সরকার নিজেরাই একের পর এক মানবতাবিরোধী অপরাধ করে চলেছে।
রফিকুল সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, এই ফ্যাসীবাদী ও জুলুমবাজদের একদিন অবশ্যই ইতিহাসের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।
বিবৃতিতে তিনি জামায়াত-ঘোষিত হরতালে বিভিন্ন স্থানে বাঁধা ও নেতা-কর্মীদের গ্রেফতারের নিন্দা জানান। সাথে সাথে স্বতস্ফূর্তভাবে হরতাল পালন করায় নগরবাসীকে অভিনন্দন জানান এই নেতা ।
এম এ





