“বর্তমান দুঃশাসনের কবলে পড়ে দেশের মানুষের মধ্যে ঈদ আনন্দ নেই। তবুও দেশবাসীকে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।” বলেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
আজ (০৪ জুন) মঙ্গলবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রিজভী এইসব কথা বলেন।
বিএনপির এই নেতা বলেন, “সোমবার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাহেব বলেছেন- ‘বিএনপির চেয়ারপারসন কারাগারে বন্দি। আপনারা সরকার ও আদালতের ওপর কতটা চাপ প্রয়োগ করতে পেরেছেন? আপনারা কি চরমভাবে ব্যর্থ নন? সরকার খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠায়নি। আদালতের রায়ে তিনি সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে আটক রয়েছেন। খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য বিএনপি কোনো উত্তাপ সৃষ্টি করতে পারেনি।’ওবায়দুল কাদেরের এই কথা শুনে আবারও সুপ্রমাণিত হলো যে, খালেদা জিয়া আইনি প্রক্রিয়ায় নয়, অবৈধ আওয়ামী লীগ সরকারের নির্দেশেই কারাগারে বন্দি।”
রুহুল কবির রিজভী বলেন, “সরকার দেশনেত্রীকে কেরানিগঞ্জ কারাগারের নির্জন প্রকোষ্ঠে বন্দি রাখার পদক্ষেপ নিয়েছে। তাঁর জামিনযোগ্য জামিন বন্ধ রেখেছে। সরকার মধ্যরাতের অভিনব ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতায় থাকার জন্যই তো তাঁকে জেলে পুরেছিলেন, সেই কাজ তো ২৯ ডিসেম্বর মধ্যরাতেই সেরে ফেলেছেন।
সুতরাং ৭৪ বছর বয়সী গুরুতর অসুস্থ একজন মহিয়সী নারীকে আর বন্দি রাখবেন না। তাঁর সুচিকিৎসা ও স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করার সুযোগ দিন।”
ঈদযাত্রার কথা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, “ভাড়া নিয়ে গণপরিবহনের লোকেরা যাত্রী সাধারণের সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করছে, লাঞ্চিত করছে। মহাসড়কে দুর্বিসহ যানজটে পড়ে মানুষ সীমাহীন কষ্ট করছে। এগুলো দেখার কেউ নেই। গণপরিবহনে এ নৈরাজ্যের জন্য দায় ওবায়দুল কাদের সাহেবরা এড়াতে পারেন না।”
এমবি





