নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নার সঙ্গে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে দেখা করেছেন তার স্ত্রী মেহের নিগার ও মেয়ে নিলম মান্না।

বর্তমানে মান্না কেন্দ্রীয় করাগারের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে কারাগারে নেওয়া হয়।

শুক্রবার বেলা ২টায় স্ত্রী ও মেয়ে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে দেখা করার আবেদন করলে কর্তৃপক্ষ মান্নার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ দেন।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মোহাম্মদ নেসার আলম বলেন, ‘দুপুর দুইটার দিকে তারা কারাগারে এসে দেখা করার জন্য আবেদন করেন। পরে কারা কর্তৃপক্ষ মান্নার সঙ্গে দেখা করতে দেন।’

তিনি বলেন ‘প্রায় আধাঘন্টা মান্নার সঙ্গে তারা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন। এ সময় তারা মান্নার শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খরবও নিয়েছেন।’

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ ও কারারক্ষীদের সহায়তায় মাহমুদুর রহমান মান্নাকে চিকিৎসা শেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল থেকে কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

দ্বিতীয় দফা পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করায় ১০ মার্চ রাত ১১টার দিকে তাকে হাসপাতালে আনা হয়।

কার্ডিওলজি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাওসিন জানান, ‘মান্না উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন।’

ঢামেক হাসপাতালের সহকারী ক্যাম্প ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেন্টু চন্দ্র দাস জানান, চিকিৎসা শেষে মাহমুদুর রহমান মান্নাকে কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে মাহমুদুর রহমান মান্না ৭ মার্চ থেকে দ্বিতীয় দফায় ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।

বিএনপি নেতা সাদেক হোসেন খোকা ও অজ্ঞাত এক ব্যক্তির সঙ্গে ফোনালাপে সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার লক্ষ্যে সেনাবাহিনীকে উৎসাহিত করতে উস্কানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে ৫ মার্চ গুলশান থানার এসআই সোহেল রানা বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাটি করেন।

এর আগে উস্কানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে ২৫ ফেব্রুয়ারি গুলশান থানায় করা মামলায় মান্নাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।

গুলশান থানায় ২৪ ফেব্রুয়ারি মামলাটি করেন উপ-পরিদর্শক (এসআই) সোহেল রানা।

ওইদিনই সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে ধানমন্ডির স্টার কাবাবের সামনে থেকে র‌্যাব-২ মাহমুদুর রহমান মান্নাকে আটক করে দাবি করেন মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম-কমিশনার মনিরুল ইসলাম।

জেআই