জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ তাঁর সব স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি নিজের গড়া ট্রাস্টে দান করেছেন।

রোববার (০৭ এপ্রিল) বিকেলে নিজেসহ ৫ জনকে নিয়ে গঠন করা ওই ট্রাস্টের নামে এইসব সম্পদ দান করে দেন ৯০ বছর বয়সী এই রাজনীতিবিদ।

জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য এসএম ফয়সাল চিশতি এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, “বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বারিধারার বাসায় এরশাদ তার ব্যক্তিগত আইনজীবী শেখ সিরাজুল ইসলামের ব্যবস্থাপনায় সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিয়ে ট্রাস্ট গঠন করেন।”  

এরশাদের সম্পত্তির এই ট্রাস্টিতে রাখা হয়নি স্ত্রী রওশন এরশাদ, ছোট ভাই জি এম কাদের, ছেলে সাদ এরশাদসহ ঘনিষ্ট আত্মীয়-স্বজনদের।  

ফয়সাল চিশতি আরও বলেন, “এই ট্রাস্টে এরশাদসহ ৫ জন রয়েছেন। অন্যরা হলেন- ছেলে এরিক এরশাদ, এরশাদের একান্ত সচিব মেজর (অব.) খালেদ আক্তার, চাচাতো ভাই মুকুল ও এরশাদের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর।”

তবে ট্রাস্টের নাম জানাতে পারেননি ফয়সাল চিশতি।

ট্রাস্টের সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে- এরশাদের বারিধারার প্রেসিডেন্ট পার্কের বাসা, গুলশানের ২টি ফ্ল্যাট, বাংলামোটরের দোকান, রংপুরের কোল্ড স্টরেজ, পল্লী নিবাস, রংপুরে জাতীয় পার্টির কার্যালয়, ১০ কোটি টাকার ব্যাংক ফিক্সড ডিপোজিট।

শারীরিকভাবে অসুস্থ এরশাদকে গত ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেয়া হয়। দেশে ফেরার পর হুইল চেয়ারে করে তাকে চলাফেরা করতে দেখা গেছে।

নতুন পার্লামেন্টের প্রথম অধিবেশনের ২৬ দিনের মধ্যে মাত্র ১ দিন সংসদে উপস্থিত ছিলেন এরশাদ।

এমবি