আসন্ন ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে ৩০ জন কৃষক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে ৪ জন মহিলা এবং ২৬ জন পুরুষ বলে জানিয়েছে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)। নির্বচান কমিশনে প্রার্থীদের জমা দেয়া হলফনামা থেকে এসব তথ্য জানায় সংগঠনটি।

 

সোমবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে ‘ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের তথ্য প্রকাশ’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি এ তথ্য প্রকাশ করে।

 

সংগঠনটি জানায়, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণে মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে কোন কৃষক প্রার্থী নেই। তবে দক্ষিণে ২৭৫ জন কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে ১০, উত্তরে ৩৭৩ জনের মধ্যে ১৬ জন প্রার্থী কৃষক। মহিলা কাউন্সিলরদের মধ্যে উত্তর ও দক্ষিণে দুই জন করে প্রার্থী কৃষক।

 

এছাড়া, উত্তরে মেয়রের ৯, কাউন্সিলরের ২১২ এবং মহিলা কাউন্সিলরের ২৯টি পদের প্রার্থী ব্যবসায়ী। দক্ষিণেও মেয়র পদে ১৪, কাউন্সিলর পদে ২৯৯ এবং মহিলা কাউন্সিলর পদে ৩২ জন ব্যবসায়ী রয়েছেন। এর বাইরে রয়েছেন চাকরিজীবী এবং গৃহিনীও।

 

সংবাদ সম্মেলনে সুজনের সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, পূর্বে উপজেলা নির্বাচনে আমরা দেখেছি কীভাবে ব্যালটে সিল মারা হয়। ব্যালট বাক্স ও ব্যালট ছিনতাই হয়। এমন কি, এ নির্বাচন ঘিরে সৃষ্ট সন্ত্রাসে কয়েকজনের মৃত্যুও হয়।

 

এ কারণে আমরা তিন সিটি নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের দাবি জানাচ্ছি। তবে এটা সম্পূর্ণ নির্বাচন কমিশনের বিষয়। তারা যদি মনে করে সেনা ছাড়াও এই ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো যাবে, তবে সেনা মোতায়েন না করলেও চলবে।

 

তিনি আরো বলেন, ‘কমিশন যদি মনে করে কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বা হয়রানিমূলক মামলা আছে- তবে তা থেকে জামিনের ব্যবস্থাও করতে পারে।’

 

এ সময় সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সকল রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারেরও দাবি জানায় সংগঠনটি।

 

এআর