বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের নেতাকর্মীরা।

আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় মিছিলটি নয়াপল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে নাইটিঙ্গেল মোড় ঘুরে আবারও বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের কাছে এসে শেষ হয়।

বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। মিছিলে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস ও সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদসহ সংগঠনের বিপুল নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

রিজভী বলেন, ‘এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে যখন মানুষ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে, ডেঙ্গুর ব্যাপক বিস্তারে দেশবাসী যখন ভয়ে শঙ্কিত, তখন এ ভয়ঙ্কর মহামারী মোকাবিলায় জনবিচ্ছিন্ন সরকারের মাথাব্যথা নেই।’ তিনি আরো বলেন, ‘দেশব্যাপী খুন, নারী-শিশু ধর্ষণ এবং ডেঙ্গুর ভয়াবহ প্রকোপ বৃদ্ধি সবকিছুকেই সরকারের মন্ত্রী-নেতারা গুজব বলছেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়কে গুজব ছড়ানোর কারখানাও বলা হচ্ছে। আসলে আমরা এমন এক নিপীড়ক সরকারের অধীনে বসবাস করছি যাদের মানবিকতা নেই, জনগণের প্রতি ন্যূনতম ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ নেই, আছে শুধু চোখ রাঙানি ও অবৈধ ক্ষমতার দাপট। প্রকৃত পক্ষে জনগণের ভোটে নয় বরং নির্বাচন কমিশন, জনপ্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কব্জায় নিয়ে ৩০ ডিসেম্বরের আগের রাতে ভোট চুরির মাধ্যমে জোর করে যারা রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে তাদের কাছে জনস্বার্থের কি বা মূল্য আছে।’

সরকারের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে রিজভী আরও বলেন, ‘শেখ হাসিনার কাছে প্রতিহিংসার রাজনীতিই মূখ্য। তাই তাঁর ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার বেগম খালেদা জিয়াকে অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়া না হলে সরকারের পরিণতি শুভ হবে না। মানুষের ন্যায় বিচারের প্রত্যাশা উচ্চতর আদালতের কাছে থাকে। কারণ নিম্ন আদালত সরকারের হাতের মুঠোয়। গত বুধবার দেশবাসী বিশ্বাস ও আস্থা রেখেছিল উচ্চতর আদালত বেগম জিয়াকে জামিন দেবেন। কিন্তু দেশনেত্রী জামিন না পাওয়ায় দেশের মানুষ হতাশ। এই অবিচারের পরিণতি নিয়ে আমরা শঙ্কিত।’

জেড