সরকার ভবিষ্যত নেতৃত্ব কলঙ্কিত ও ধ্বংস করতেই সাজানো ও মিথ্যা অভিযোগে ছাত্রদল সভাপতি রাজীব আহসানসহ অন্য নেতাদের গ্রেফতার করছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপির অঙ্গ সংগঠন জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল।
নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি মুনির হোসেন।
তিনি বলেন, ‘সরকারের নির্দেশে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাজিব আহসানকে ষড়যন্ত্রমূলক গ্রেফতার করে তার কাছ থেকে মাদক উদ্ধারের মিথ্যা ও বানোয়াট নাটক মঞ্চস্থ করা হয়েছে।’
মুনির বলেন, ‘ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের হাজার হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা, বানোয়াট ও হয়রানিমূলক মামলা দিয়ে গ্রেফতার সরকারের পুরনো কৌশল। কিন্তু রাজীবকে যে অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে তা বিরোধীদলের তরুণ ও ভবিষ্যত নেতৃত্বকে কলঙ্কিত এবং রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে বর্তমান ভোটারবিহীন দখলদার সরকারের জোর করে ক্ষমতায় টিকে থাকার অপপ্রয়াস।’
তিনি বলেন, ‘গণধিকৃত ধোঁকাবাজ ও জুলুমবাজ সরকারের বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজ, যুবসমাজ ও স্বেচ্ছাসেবক সমাজ একটি কার্যকর গণআন্দোলন গড়ে তুলবে এ ভয়ে ভীত হয়েই রাজিবকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’
তিনি অবিলম্বে রাজীব আহসান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, রিজভী আহমেদসহ সব রাজবন্দীর মুক্তি দাবি করেন। একইসঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক সরাফত আলী সফু, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল বারী বাবুসহ অন্য নেতাদের হুলিয়া প্রত্যাহারেরও দাবি জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা সাইফুল ইসলাম পটু, গোলাম হায়দার মুকুট, আসাদুজ্জামান নেছার, কাজী রহমান মানিক, সর্দার জামান, আমিনুল ইসলাম, আনু মো. শামীম, পারভেজ আল বাকী, রফিক হাওলাদার, ওয়াহিদ বিন ইমতিয়াজ বকুল, শাহাবুদ্দিন ফারুক, আক্তারুজ্জামান বাচ্চু, জাকির হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান বাচ্চু, মশিউর রহমান, আওলাদ হোসেন উজ্জল, আবুল কালাম আজাদ, বেলাল আহমেদ প্রমুখ।
এমএইচ





