বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেন, ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য আইন আদালতকে কব্জা করে দেশনেত্রীর জামিনে বাধা দেয়া হচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কারাবন্দিত্বের ৫৬৮তম দিন উল্লেখ করে রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, অবৈধ মিডনাইট সরকারের প্রতিহিংসার কারাগারে তার শারীরিক অসুস্থতার ক্রমাগত অবনতি হলেও ক্ষমতা হারানোর ভয়ে সরকার তাকে মুক্তি দিচ্ছে না।সরকারের অমানবিক ও নিষ্ঠুর আচরণ প্রমান করে দেশনেত্রীর প্রাণনাশ করতে এক গভীর ষড়যন্ত্রে মেতেছে তারা।
তিনি বলেন, জুলুমবাজ মিডনাইট দখলদারদের বলব-দেশনেত্রীকে মুক্তি দিন এখনি! আপনাদের দুর্দিন আসতেও বেশী সময় লাগবে না। সময় সব সময় একরকম থাকে না। বাতাস সব সময় একদিক দিয়ে প্রবাহিত হয়না। প্রতিহিংসা আর দাম্ভিকতার পতন শ্বাশ্বত ও অনিবার্য।
১৫ আগষ্ট শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকান্ডের ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্য উত্তরে রিজভী বলেন, আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন ধরে ইতিহাস বিকৃত করার চেষ্টা করে আসছে। সত্যকে ঢেকে দিয়ে মিথ্যাকে প্রতিষ্ঠিত করতে মিথ্যাচার করে আসছে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদের আলোচনা সভায় বলেছেন, ‘পঁচাত্তর সালের ১৫ আগষ্ট শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকান্ডের মাষ্টারমাইন্ড জিয়াউর রহমান। ষড়যন্ত্রের পুনরাবৃত্তি একই সূঁত্রে গাথা। আগষ্টেরই ২১ তারিখে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে বঙ্গবন্ধুর কন্যাকেও নিশ্চিহ্ন করতে প্রকাশ্যে গ্রেনেড হামলা করা হয়েছিল। এখনো ওদের ষড়যন্ত্র চলছে। এখনো বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ আসছে।’
তিনি বলেন, ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্য যদি সত্য হয়, তাহলে ১৫ আগষ্টের মর্মষ্পর্শী ঘটনার পর আওয়ামী লীগেরই লোকজন সরকার গঠন করলো কিভাবে? ওবায়দুল কাদের সাহেব আপনি ১৫ আগষ্টের বিষয়ে এইচটি ইমামকে জিজ্ঞেস করুন তাহলেই সব উত্তর পেয়ে যাবেন।
তিনি আরও বলেন, ১৫ আগষ্টের সময় বিএনপি’র সৃষ্টি হয়নি এবং শহীদ জিয়াউর রহমান তখন তো কোন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন না। তাহলে তাঁকে অভিযুক্ত করতে আওয়ামী নেতারা এতো তৎপর কেন ? তৎকালীন সেনাপ্রধানের কোন দায় নেই কেন ? কারণ তিনি আওয়ামী লীগের এমপি ছিলেন। ইতিহাসই এর প্রমান।
এএস





