রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিবির নেতা আবু রায়হানের ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। ২০০৯ সালে ছাত্রলীগের হামলায় মারাত্মকভাবে আহত হয়েছিলেন তিনি।

ওই ঘটনায় নিহত ছাত্রশিবির রাবি শাখার তৎকালিন সেক্রেটারি শরিফুজ্জামান নোমানী নিহত হয়েছিলেন। তার সাথে গুলিবিদ্ধ ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়ে অসুস্থ ছিলেন রায়হান।

ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোঃ সিরাজুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সালাহউদ্দিন আইউবী সোমবার এক শোক বার্তায় বলেন, ২০০৯ সালের ১৩ মার্চ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের হামলায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সেক্রেটারি শহীদ শরিফুজ্জামান নোমানীর শাহাদাতের দিন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের মেধাবী ছাত্র আবু রায়হানকে রাবি ছাত্রলীগ শেরে-ই-বাংলা হলের গেইট থেকে তুলে নিয়ে মধ্যযুগীয় কায়দায় বর্বর নির্যাতন চালিয়ে বাম পায়ে গুলি করে এবং হলের ছাদ থেকে ফেলে দেয়। তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন তার বাম পা ও ডান হাত ভেঙ্গে যায়। এরপর থেকেই দূরারোগ্য কিডনি বিকল রোগে আক্রান্ত ছিলেন তিনি। সোমবার সকাল ৮টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন)। তার এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে।

শিবির নেতারা বলেন, তার ইন্তেকালে দেশের ইসলামী আন্দোলন একজন নিবেদিত প্রাণ, সাহসী, দক্ষ ও সম্ভাবনাময় নেতৃত্বকেই বিদায় দিলো। ছাত্রশিবির তাকে কখনো ভুলে যাবে না। বাতিলের মোকাবেলায় ইসলামী আন্দোলনকে এগিয়ে নিতে তাঁ প্রচেষ্টা আমাদের জনশক্তিদের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে। আমরা মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে তার শাহাদাতের কবুলিয়াতের জন্য দোয়া করছি এবং তাঁর শোক সন্তপ্ত পরিবার-পরিজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। বিজ্ঞপ্তি

এমআর