মিশরের আদালত কর্তৃক চূড়ান্ত রায়ে দেশটির ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুরসিকে ২০ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করার খবরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জামায়াতের নায়েবে আমির, সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, “ডঃ মোহাম্মদ মুরসি মিশরের ইতিহাসে প্রথম নির্বাচিত প্রেসিডেণ্ট। তাকে মিশরের স্বৈরাচারী সরকার ষড়যন্ত্র করে কারাদন্ড দিয়ে জেলে আবদ্ধ করে রেখেছেন। তিনি কোন অপরাধ করেননি। বরং তাকে অন্যায়ভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে আবদ্ধ রেখে সরকার তার উপর চরম জুলুম করছে।”
মুজিবুর রহমান আরোও বলেন, “তিনি এখনো মিশরের সবচাইতে জনপ্রিয় নেতা।সকল দণ্ড বাতিল করে জনগণের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুরসিকে অবিলম্বে মুক্তি দেয়ার জন্য আমি মিশর সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”
উল্লেখ্য, মিশরের প্রথম অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে জয়ী হয়ে মিশরের প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন ব্রাদারহুডের নেতা ড. মুরসি। কিন্তু ২০১৩ সালে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করে মিশরীয় সেনাবাহিনী।
এরপর মুসলিম ব্রাদারহুডের বিরুদ্ধে ব্যাপক দমনপীড়ন চালায় সেনা-সরকার। এক পর্যায়ে মুসলিম ব্রাদারহুডকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। মুরসি ছাড়াও সংগঠনটির হাজারা হাজার নেতাকর্মী কারাবন্দি আছেন। বিভিন্ন অভিযোগে এদের অনেককে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এমবি





