অবৈধ আওয়ামী সরকার দেশ বিরোধী নীতি বাস্তবায়ন করতে গিয়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে বিরোধী মতের মেধাবী ছাত্রদের আটক করে হত্যা ও জোরপূর্বক মিথ্যা স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য করছে। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগরী উত্তর সেক্রেটারী নাজিব আহসান আজ এক বিক্ষোভ মিছিলে একথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশে ঘটে যাওয়া নৃশংস হত্যাকান্ডে জড়িত আসল অপরাধীদের চিহ্নিত না করে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর এহেন ঘৃণ্য কর্মকান্ডে মানুষের আস্থা হারানোর পাশাপাশি তাদের প্রতি শান্তি প্রিয় জনগনের মধ্যে এক ধরণের অজানা আতংক বিরাজ করছে।

কেননা এ বাহিনী তাদের নিজ দায়িত্ব ভুলে সরকারের মাত্রাতিরিক্ত অবৈধ আজ্ঞা পালন করতেই বেশি সচেষ্ট রয়েছে। এর সুযোগ কাজে লাগিয়ে অপরাধী চক্র আরো বেশি মানুষ হত্যা করে দেশকে মৃত্যুপরীতে পরিণত করে চলেছে। দেশের সর্বত্র মানুষের লাশ,আর লাশ খুঁজে না পাওয়াটা যেন দেশবাসীর কাছে রীতিমত হতবাক ও বিস্ময়ের সৃষ্টি করছে। আটক হওয়া ব্যক্তিরা পুলিশের দেয়া মিথ্যা স্বীকারোক্তি না দিলে তাদেরকে বন্দুক যুদ্ধের নাটকসাজিয়ে পৃথিবী থেকে বিদায় করে দিচ্ছে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ইতোমধ্যে ঝিনাইদহে ৭ শিবির নেতাকে বিনা অপরাধে আটক করে অস্বীকার ও সেখানে পুরোহিত হত্যার সাথে ছাত্র শিবিরকে জড়িয়ে গণমাধ্যমে মিথ্যা, বানোয়াট স্বীকারোক্তি না দেয়ায় তাদেরকে হত্যা করেছে। এছাড়া প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিনোর নামে ছাত্রশিবিরের অসংখ্য নেতা কর্মীকে আটক ও গুম করে রেখেছে। তাদের এসব কুকর্ম সবুজ বাংলাদেশকে বধ্যভূমিতে পরিণত করেছে। পুলিশের এ ধরণের ন্যাক্কারজনক কর্মকান্ডে দেশপ্রেমিক জনতা নিন্দা জানানোর ভাষা হারিয়ে ফেলেছে।

তিনি অবিলম্বে আটককৃত ছাত্রশিবিরের সকল নেতা কর্মীর নিঃশর্ত মুক্তির দাবী জানান।

ইসলামী ছাত্রশিবির ঘোষিত ঝিনাইদহে ৭ শিবির নেতাকে হত্যা, বিনা অপরাধে আটককৃতদের জোর পূর্বকমিথ্যা স্বীকারোক্তি আদায়ের প্রতিবাদ ও আটক নেতা কর্মীর মুক্তির দাবীতে চট্টগ্রাম মহানগরী উত্তর শিবিরের বিক্ষোভ মিছিলোত্তর সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নগর উত্তর শিবির নেতা এস কে সিকদার’র পরিচালনায় সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন শিবির নেতা শাকিল রায়হান,আবু আব্দুল্লাহ, কামাল কুতুবী, কুতুব উদ্দিন, হাসান আমান, আনোয়ার আজহার প্রমুখ।

নগরীর লালদীঘী মোড় থেকে শুরু হওয়া শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিলটি আন্দকিল্লায় সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

এফএফ