রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীসভার সদস্যদের বেতন ৯৬ শতাংশ এবং ভাতা প্রায় তিনগুণ বাড়িয়ে আইন-সংশোধন করার উত্থাপিত প্রস্তাবের তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে দলটির ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী জেনারেল ডাঃ শফিকুর রহমান এ তথ্য জানান।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, “রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীসভার সদস্যগণের বেতন এবং ভাতা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধির প্রস্তাব প্রমাণ করছে বর্তমান সরকার জনগণের স্বার্থের চাইতে নিজেদের স্বার্থ নিয়ে বেশি ব্যস্ত।

বর্তমান সরকার জনগণের নির্বাচিত সরকার নয়। জনগণের দুঃখ-দুর্দশা লাঘব ও জনস্বার্থে কাজ করার পরিবর্তে সরকার নিজেদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি ও বিলাসিতায় ব্যস্ত রয়েছে।

দেশের দরিদ্র জনগণ দুই বেলা পেট ভরে খেতে পাচ্ছে না, অথচ রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী পরিষদের সদস্যগণের বেতন ৯৬ শতাংশ এবং ভাতা তিন গুণ বৃদ্ধির প্রস্তাব উত্থাপন করে দেশের জনগণের সাথে নিতান্তই উপহাস করা হচ্ছে।

দরিদ্র জনগণের খাজনা ও ট্যাক্সের টাকায় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীগণের বেতন এবং ভাতা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধির চেষ্টা সম্পূর্ণ অন্যায় ও অযৌক্তিক।

জনকল্যাণকামী সরকার কখনো দেশের সংখ্যা গরিষ্ঠ জনগণকে দুর্দশায় রেখে নিজেদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি করার মত বৈষম্যমূলক নীতি গ্রহণ করতে পারে না। বর্তমান সরকার জনগণের রক্ষক হয়ে এখন ভক্ষকে পরিণত হয়েছে।

বেতন-ভাতা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি করার এ অন্যায় প্রস্তাবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হওয়ার জন্য আমি দেশের জনগণের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

দেশের জনগণের স্বার্থের কথা চিন্তা করে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীগণের বেতন ৯৬ শতাংশ এবং ভাতা তিনগুণ বৃদ্ধির এ অন্যায় ও অযৌক্তিক প্রস্তাব প্রত্যাহার করার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”

এমকে