আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রীসভার বৈঠকে প্রতি শুক্রবার জুমআর খুতবা ও বয়ান নজরদারি করার সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে “জুমআর খুতবা ও বয়ান নজরদারির সিদ্ধান্ত বাতিল” করার আহবান জানিয়েছেন দেশের অন্যতম অরাজনৈতিক সংগঠন “আদর্শ নাগরিক আন্দোলন"।

আজ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রীসভার বৈঠকে নেওয়া জুমআর খুতবা ও বয়ান নজরদারি করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে গণমাধ্যমে বিবৃতি দিয়েছেন সংগঠনের উদ্যোক্তা ও আহবায়ক মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান, যুগ্ম-আহ্বায়ক- রাজু আহমেদ, মাহমুদ নবী, মো:মনিরুজ্জামান, এইচ কে টি এম মাসউদ ইবনে ইসহাক, সহ-সদস্য সচিব- এডভোকেট আল-আমিন, মোহাম্মদ আদেলউদ্দিন আল মাহমুদ,আতিকুর রহমান টুটুল, মুহাম্মদ আবু সাঈদ পাটোয়ারী, মীর মো: শাহ্ শফিকুল ইসলাম, সদস্য-নুরুল আলম জাকির, আবুল কালাম আজাদ, মোহাম্মদ মিল্টন,মো: রফিকুল ইসলাম প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেছেন, সম্প্রতি গুলশানের হোটেলে এবং শোলাকিয়া ঈদগাহের পাশে যারা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করেছে তাদের সাথে মসজিদ-মাদরাসা বা কোন আলেম-ওলামার সম্পর্ক নেই। মসজিদের ইমাম ও খতীবরা সর্বদা ইসলামের সঠিক বক্তব্য, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ, মাদকসহ সমাজের অনৈতিক কার্যক্রমের বিষয়ে দেশের মানুষকে সচেতন এবং এদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে মুসল্লিদেরকে উৎসাহিত করেন।দেশের ক্রান্তিকালে ইমাম খতীবরা অতীতেও ভূমিকা রেখেছে বর্তমানেও রাখছে।

সুতরাং অথচ এই ঘটনাকে পুঁজি করে সরকার ৯২-৯৫% মুসলমানের এই দেশে “জুমআর খুতবা ও বয়ান নজরদারি করার সিদ্ধান্ত” নিয়েছেন। যা নাস্তিক ও ইসলামবিরোধী গোষ্ঠীর ইসলামকে সঙ্কুচিত করার অপপ্রয়াস।

নেতৃবৃন্দ বলেন, আদর্শ নাগরিক আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ এসব সন্ত্রাস ও হত্যাকান্ড সমর্থন করে না, কিন্তু কোন মহল যদি এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় তাও সহ্য করা হবে না।

নেতৃবৃন্দ সরকারের কাছে যে সমস্ত কারণে সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ ও সামাজিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। সেগুলো চিহিৃত করে সমাধানের চেষ্টা করার আহবান জানিয়ে বলেন, সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ ও সামাজিক বিশৃঙ্খলা বন্ধে “জাতীয় ঐক গড়ে তুলুন।”

ওএফ