বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ মুখে গণতন্ত্রের কথা বললেও কাজে বিশ্বাস করে না। সরকার কৌশল পরিবর্তন করে গণতন্ত্রের লেবাস পড়ে গণতন্ত্রের সব প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়ে বাকশাল কায়েম করেছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল আয়োজিত ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, এরশাদ নতুন মুক্তিযোদ্ধা। যুদ্ধের সময় তিনি পাকিস্তানে ছিলেন। জিয়াউর রহমান সম্পর্কে তার কথা বলার কোন অধিকার নেই। জিয়াউর রহমান সর্ম্পকে কথা কটুক্তি তার মুখে মানায় না। এরশাদ গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে।  এদেশের মানুষ এরশাদকে ধিক্কার দিয়ে পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছেন।

আওয়ামী লীগ সরকার পদে পদে সংবিধান লংঘন করছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, আমাদের সংবিধানে আছে যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে চাকরি হবে। আর আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হাসিনা ও এইচ টি ইমাম ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বলেছেন তোমাদের চিন্তা নেই। লিখিত পরীক্ষায় পাশ করলেই হবে। এটা কেমন নীতি। আবার শেখ হাসিনার কাছে কেউ চাকরীর জন্য গেলে বলে চাকরী প্রার্থী ছাত্রলীগ করে কিনা। তার গোষ্ঠির মধ্যে কেউ বিরোধী দলের রাজনীতি করে কিনা। না করলে চাকরী হবে না।

বিএনপির এই মূখপাত্র বলেন,  আওয়ামী লীগের ছাড়া প্রত্যেকটি মানুষকে মামলার জালে ঘিরে ফেলা হয়েছে। শুধু ঢাকায় নয় গ্রাম পর্যায় ওয়াড়, থানা লেবেল পর্যন্ত ছেয়ে গেছে মামলার জাল। এমনকি মামলা দিয়ে অনেককে বাড়ি ছাড়া করেছে।

৭ নভেম্বর আওয়ামী লীগের সঙ্গে যায় না মন্তব্য করে ফখরুল বলেন,  ৭ নভেম্বরকে স্বীকার করলে আওয়ামী লীগের অস্তিত্ব থাকে না।  এজন্য আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে ৭ নভেম্বর পালন করতে দেয় না। যারা ৭ নভেম্বর বিশ্বাস করে না তারা স্বাধীনতাকে বিশ্বাস করে না। আওয়ামী লীগ  মানুষের সাথে প্রতারনা করে হিজাব, তসবি পড়ে ভোট নেয় আর ক্ষমতায় গেলে নির্যাতন করে।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেলের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন,  বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সালাম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ সভাপতি মনির হোসেন,  সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল বারী বাবু প্রমুখ।

এমএইচ/ এআর