জনগণের জীবন ও সম্পত্তির নিরাপত্তা দিতে সরকার সামগ্রীকভাবে ব্যর্থ হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি আরও বলেন, “আমাদের হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাইয়েরা অথবা বৌদ্ধ-খ্রিস্ট সম্প্রদায়ের যাঁরা আছেন, তাঁদের যে ধর্ম-বিশ্বাস পালন, যে উপাসনালয়গুলো আছে-এগুলোরও নিরাপত্তা সরকার দিতে পারেনি। একই সঙ্গে আমাদের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী যারা আছে, ইসলাম ধর্ম যারা বিশ্বাস করে, তাদেরও এখানে কোনো নিরাপত্তা নেই।”
রোববার (২৪ অক্টোবর) সিলেটে হযরত শাহজালাল (র:)-এর মাজার জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এইসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আরও বলেন, “সম্প্রতি যে সাম্প্রদায়িক সমস্যাটা তৈরি হয়েছে, সেগুলোর নেতৃত্ব দিচ্ছে কারা? নেতৃত্ব দিচ্ছে ছাত্রলীগের ছেলেরা, নেতৃত্ব দিচ্ছে আওয়ামী লীগের লোকেরা। আজও পত্রিকায় এসেছে যে, রংপুরের যে ঘটনাটা ঘটেছে, সেখানে নেতৃত্ব দিয়েছে সৈকত নামের ছাত্রলীগের এক নেতা।”
বিএনপির এই নেতা বলেন, “জনগণের সঙ্গে যেহেতু সরকারের কোনো যোগাযোগ নেই। জনগণের ভোট যেহেতু সরকার পায় না, তাই জনগণের দৃষ্টিটাকে ভোটের অধিকার থেকে দৃষ্টি সরাতে তারা এই ঘটনাগুলো ঘটাচ্ছে।”
বাংলাদেশে নির্বাচনের কোনো পরিবেশ নেই মন্তব্য করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, “এই অনির্বাচিত সরকার, অবৈধ সরকার, যারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়নি, তারা নির্বাচন নির্বাচন খেলা করে গত দুটি টার্ম জোর করে ক্ষমতায় বসে আছে। ওই নির্বাচনে তখনই আমরা অংশগ্রহণ করব, যখন নির্বাচনের সত্যিকারের পরিবেশ তৈরি হবে।”
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, “আমরা খুব পরিষ্কার করেই বলেছি যে, আওয়ামী লীগের অধীনে কোনো সুষ্ঠু, অবাধ, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়। সে জন্যেই নির্বাচনকালীন সময়ে একটি নিরপেক্ষ সরকার, নির্দলীয় সরকারের অধীনে নতুন নির্বাচন কমিশনের পরিচালনায় নির্বাচনে আমরা অবশ্যই অংশগ্রহণ করব। এবং সে জন্যই আমরা আন্দোলন করছি।”
এমবি





