ডা. তাহের বলেন, ‘আন্দোলনের জন্য উপযুক্ত করে তৈরি করতে প্রত্যেক কর্মীকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে। করণীয় নির্ধারণে শক্তভাবে মনস্থির করতে হবে। ইসলামী আন্দোলনের দর্শন, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করতে হবে। প্রত্যয় ও অঙ্গীকার গ্রহণ করতে হবে সমাজ পরিবর্তনের। আর জামায়াতের কর্মী বা রুকন হওয়ার ওপর কোন কিছুই নির্ভর করে না বরং আমাদের প্রত্যেকেই প্রকৃত মোমিন হতে হবে।’
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জামায়াত একটি নির্বাচনমুখী দল। দেশের মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত হলে সব নির্বাচনেই প্রতিদ্বীতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সে সিদ্ধান্তের অংশ হিসাবেই ড. রেজাউল করিমকে লক্ষীপুর-৩ আসনে মনোনয়ন দিয়েছে বলেও জানান তিনি। এসময় নিজ দলের কর্মীদের জনশক্তি ও জনসমর্থনকে কাজে লাগিয়ে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংগঠন মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করার চেষ্টার আহ্বান জানান তিনি।
এসময় সংগঠনকে আরও গতিশীল করতে মেধা, মনন, যোগ্যতা কাজে লাগিয়ে চেষ্ঠা চালানো আহ্বান জানান লক্ষীপুর-৩ আসনের প্রার্থী ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, ঢাকা মহানগরী মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি, ড. রেজাউল করিম।
জেলা জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি নাসির উদ্দিন মাহমুদের সভাপতিত্বে ও লক্ষীপুর-৩ আসনের সদস্য সচিব অধ্যাপক আব্দুর রহমানের সঞ্চালনায় কর্মী সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে চিলেন, কুমিল্লা অঞ্চলের নির্বাচন সমন্বয়ক আব্দুস সাত্তার, লক্ষীপুর জেলা আমীর রুহুল আমীন ভূঁইয়া ও সেক্রেটারি ফারুক হোসাইন নূরনবী, লক্ষীপুর জেলা জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি এডভোকেট মুহসিন কবির মুরাদ, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মোমিন উল্লাহ পাঠওয়ারী, শহর আমির আবুল ফারাহ নিশান ও চন্দ্রগঞ্জ থানা আমির মোস্তফা মোল্লা প্রমূখ।
বিজ্ঞপ্তি





