'বদরুল ছাত্রলীগের কেউ না' এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেইসবুকসহ সর্বত্রই চলছে পাল্টাপাল্টি মন্তব্য।   

গত মঙ্গলবার ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন শাবিপ্রবি ছাত্রলীগ নেতা বদরুলের চাপাতির কোপে গুরুতর আহত হওয়া কলেজ ছাত্রী খাদিজা বেগম নারগিস কে রাজধানীর স্কয়ার হসপিটালে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন,'বদরুল ছাত্রলীগের কেউ না' তিনি আরও বলেন, ‘ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্রে লেখা আছে কোনো কর্মী কাজে যোগ দিলে বা বিয়ে করলে তার সদস্যপদ অটোমেটিক বাতিল হয়ে যায়। 

তাঁর এ মন্তব্যের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বঙ্গবন্ধু ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের ছবিসহ গত কোরবানীর ঈদে বদরুলের দেয়া শুভেচ্ছা ফ্যাস্টুনে বদরুল শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ শাখার সহ-সভাপতি উল্লেখিত একটি ফ্যাস্টুন এবং গত ০৮/০৫/১৬ ইং (রবিবার) ছাত্রলীগের একটি প্যাডে বদরুলকে শাবিপ্রবি ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি উল্লেখ করা একটি স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিপত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক পোর্টালে ভাইরাল আকার ধারণ করে।

এতে থমকে দাঁড়ায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আজ (বুধবার) সাংবাদিকদের বলেন,'বদরুল চাকরিতে যোগ দিয়েছে এ খবর না জেনেই তাকে কমিটিতে স্থান দেই আমরা' এবং তার ব্যক্তিগত অপকর্মের দায়ভার ছাত্রলীগ নিবে না বলেও জানায়। বদরুল আসলে ছাত্রলীগের কি তা নিয়ে খোদ ছাত্রলীগেই সৃষ্টি হয়েছে ধ্রুমজাল। 

তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, চাকরিতে রয়েছে জেনেই তাকে কমিটিতে স্থান দেয় ছাত্রলীগ। সুনামগঞ্জের ছাতকের আলহাজ্ব আয়াতুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে ২০১৪ সালে যোগ দেন বদরুল। এখনও সেখানে শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন।

অন্যদিকে চলতি বছরের ৮ই মে শাবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগের ঘোষিত কমিটিতে সহসম্পাদক পদে ছিলেন বদরুল। ঘোষণার দুদিন আগে কমিটির অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

অবশ্য আজ (বুধবার) দুপুরে শাবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জীবন চক্রবর্তী পার্থ সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলেন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ছাত্র মো. বদরুল আলম ছাত্রলীগকে প্রতারিত করেছে তার ব্যক্তিগত অপরাধের ভার শাবিপ্রবি ছাত্রলীগ নিবে না। 

এসএ