বিএনপির যগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, শনিবার বিএনপি চেয়ারপারসনের নাটোরের জনসভার দিন দেশব্যাপী বিদ্যুৎ না থাকা রহস্যজনক।কারন বর্তমান অবৈধ সরকার খালেদা জিয়া ও বিএনপি আতঙ্কে ভুগছে।  

রোববার বিকালে নয়াপল্টনস্থ দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, তাই গতকালকে নিরবচ্ছিন্ন ব্ল্যাকআউট সরকারের এক গভীর চক্রান্ত্রেরই অংশ কিনা তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। যাতে সারাদেশের মানুষ বিএনপি’র বিশাল সমাবেশ সরাসরি গণমাধ্যমে কিম্বা সামাজিক গণমাধ্যমে দেখতে না পারে সেজন্যই এই কারসাজির আশ্রয় নেয়া হয়েছে বলে মানুষ বিশ্বাস করে। যেমন এর আগে বেশকিছু ইলেকট্রনিক মিডিয়া দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জনসভার চিত্র সরাসরি দেখাতে চাইলে তা সরকারী হুকুমে সম্প্রচার করা সম্ভব হয়নি।

তিনি বলেন, সরকার বিদ্যুৎ নিয়ে বহু ভেলকিবাজী জনগণকে দেখিয়েছে। তারা কুইক রেন্টালকে সাময়িক নীতি বলে ঘোষনা করেছিল, তারা বলেছিল-২০১৩ সালের পর থেকে বিদ্যুতের দাম কমবে। কিন্তু কুইক রেন্টালকেই স্থায়ী নীতি হিসেবে গ্রহণ করেছে এই ভোটারবিহীন সরকার। ফলে ক্ষমতাসীন লূটেরাদের পকেট ভারী হয়েছে। সরকারী দুর্নীতি ও ভ্রান্তনীতির কারনে বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে। বিদ্যুতের দাম সমন্বয়ের নামে গরীবের পকেট কাটা ও কৃষি ধ্বংসের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

রিজভী অভিাযোগ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ক্রোধ মূলত: জনগণেরই ওপরে। এর আগে তিনি বলেছেন-যারা বিদ্যুৎ নেই বিদ্যুৎ নেই বলে, তাদের বাসায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেয়া হবে। এখন সকলের মনে এই প্রশ্নই জেগেছে যে, গতকাল দিন-রাতের নিরবচ্ছিন্ন অন্ধকার কি সেই ক্রোধেরই বহি:প্রকাশতিনি বলেন, বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর মন রক্ষার জন্য সরকার দেশে জঙ্গিবাদের অপপ্রচার চালাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, যে সংবিধান সংশোধনে জনগণের অংশগ্রহণ থাকে না, জনগণের অধিকার কেড়ে নেয়া হয়, এমনকি প্রধানমন্ত্রীকে অসীম ক্ষমতা দেয়া হয়, তা অগ্রাহ্য করার অধিকার জনগণের আছে।

এমএইচ