নিখোঁজ মীর কাসেম আলীর ছেলে ও আইনজীবী ব্যারিস্টার আহমেদ বিন কাশেম আরমান সম্পর্কে স্বরাস্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানালেন মীর কাসেম আলীর স্ত্রী খোন্দকার আয়েশা।
বৃহস্পতিবার রাতে সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় খোন্দকার আয়েশা এ প্রতিবাদ জানায়।
স্বরাস্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল গতকাল ৩১ আগস্ট সংবাদ মাধ্যমে মীর কাসেম আলীর ছেলে ও আইনজীবী ব্যারিস্টার আহমেদ বিন কাশেম আরমান 'কোথায় গিয়েছে সেটাতো আমার জানার বিষয় নয়, বলে যে মন্তব্য করেছেন আমি তার প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
গত ৯ আগস্ট মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে সাদা পোশাকে অস্ত্রধারী কয়েকজন ব্যক্তি ব্যারিস্টার আহমেদ বিন কাশেম আরমানকে তার স্ত্রী তাহমিনা আক্তারের সামনে থেকে মিরপুর ডিওএইচএসের বাসো থেকে ধরে নিয়ে যায়।
ওই ব্যক্তিদের দেখে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মতো মনে হলেও তারা সাদা পোশাকে ছিলেন। তারা দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আরমানের খোঁজ করেন। আরমান দরজার কাছে গেলে তারা তাকে তাদের সঙ্গে যেতে বলেন। তাদের সঙ্গে যেতে রাজি না হলে তারা আরমান কে টেনে হিঁচড়ে নিচে নিয়ে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে চলে যায়।
ঘটনার পরপরই আমরা পল্লবী থানাকে অবহিত করি এবং পরদিন পল্লবী থানায় সাধারণ ডায়রী করি। যার নম্বর. ৮০৮।

ব্যারিস্টার আহমেদ বিন কাশেম আরমানকে তুলে নেয়ার সংবাদ পরদিন ১০ আগস্ট দেশের প্রায় সকল সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত ও প্রচারিত হয়।
জাতিসঙ্ঘে মানবাধিকারবিষয়ক বিশেষজ্ঞ দল, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, সূপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সহ দেশী-বিদেশী অনেক সংস্থা ব্যারিস্টার আহমেদ বিন কাশেম আরমানের জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
এমতাবস্তায় স্বরাস্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল 'তার ছেলে কোথায় গিয়েছে সেটাতো আমার জানার বিষয় নয়, বলে দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারেননা।
কারণ দেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা বিধান রাস্ট্রের দায়িত্ব। স্ত্রী-সন্তানদের সামনে থেকে তুলে নেয়া ২২দিন পরেও তার কোন খোঁজ আমরা পাচ্ছিনা।
আমি ইতিপূর্বে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট আমার ছেলে ব্যারিস্টার আহমেদ বিন কাশেম আরমানকে ফিরিয়ে দেয়ার আবেদন করেছি। আমি পুনরায় স্বরাস্ট্রমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের নিকট আবেদন করছি আমার ছেলে ব্যারিস্টার আহমেদ বিন কাশেম আরমানকে আমার নিকট ফিরিয়ে দিন।
এমবি





