খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, ইইউ ও জাতিসংঘ সব সময় ফাঁসিসহ সব ধরনের মৃত্যুদণ্ডের বিরোধীতা করে। সেই ধারাবাহিকতায় এবারও জামায়াত নেতা কামারুজ্জামানের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত চেয়ে তাদের ধারাবাহিকতা রক্ষা করেছে মাত্র।
শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে নৌকা সমর্থক গোষ্ঠী আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে বিদেশীদের কোন ধরণের চাপ নেই। আইনী সকল প্রকার প্রক্রিয়া শেষ করে যথা সময়েই কামারুজ্জামানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে। এসময় তিনি জনগণকে একটু ধৈর্য ধরার আহবান জানান।
কামরুল বলেন, একটি চিহ্নিহিত মহল ট্রাইবুনালের বিচারের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই বাংলাদেশের ট্রাইবুনাল নূরেমবার্গ ট্রাইব্যুনালের চেয়ে স্বচ্ছ। পৃথিবীর কোন ট্রাইবুনাল আপিল ও রিভিউ পিটিশনের সুযোগ দেয় না। আমাদের এখানে সেটা দেয়া হয়েছে।
খালেদার আন্দোলনের বিষয়ে তিনি বলেন, ৯২ দিনের আন্দোলন ভঙ্গ করে সিটি নির্বাচনের জন্য বাসায় গিয়ে উঠেছেন। কিন্তু তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন সরকারের পতন না ঘটিয়ে ঘরে ফিরবেন না।
তিনি বলেন, খালেদা জিয়া এখন বুঝতে পেরেছেন তার এই হঠকারিতার জন্য বিএনপির জনপ্রিয়তা শূন্যের কোঠায় উঠেছে। এসময় তিনি আন্দোলন ছেড়ে নির্বাচনের জন্য ঘরে ফেরায় ধন্যবাদ জানান খালেদা জিয়াকে।
সিটি নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের জন্য সন্ত্রাসীদের মুক্ত করার দাবি জানিয়ে কোন লাভ হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, একদিকে সন্ত্রাসীদের সমার্থন করবেন অপর দিকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড চাইবেন। তা কখনো হবে না। সন্ত্রাসীদের জন্য কখনো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড হবে না।
এসময় বার কাউন্সেলের সভাপতি খন্দকার মাহবুব উদ্দিন সন্ত্রাসীদের জন্য আগাম জামিন চেয়ে আদালতকে প্রভাবিত করছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
সংগঠনের উপদেষ্টা ডা. খন্দকার এমদাদুল হক সেলিমের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন, নগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোজাফ্ফর হোসেন পল্টু, আওয়ামী লীগ নেতা ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ, জাসদ নেতা হারুন চৌধুরী, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির প্রমুখ।
এমআর/ এআর





