বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল জব্বার বলেছেন, দেশে পৈচাশিকতার মহামারি জাতিকে লজ্জায় ফেলে দিয়েছে।
যে যাই বলুক না কেন, শুধু মাত্র সমাজে ইসলামী মূল্যবোধ চর্চার অভাবেই পৈচাশিক ঘটনা ঘটছে।
তিনি আজ বেলা ২টায় রাজধানীর এক মিলনায়তনে ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ শাখার ষান্মাসিক সদস্য সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
শাখা সভাপতি সাদেক বিল্লাহ’র পরিচালনায় সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদক মোবারক হোসেন, সমাজসেবা সম্পাদক রাশেদুল হাসান রানা, কার্যকরী পরিষদ সদস্য মাইনউদ্দিন মৃধা।
শিবির সভাপতি বলেন, একের পর এক পৈচাশিক ঘটনায় শান্তি প্রিয় মানুষ আতকে উঠছে। দেশে পৈচাশিতার মাত্রা আশঙ্কাজনক ভাবে বেড়ে যাচ্ছে।
সম্প্রতি সিলেটে রাজন নামে এক শিশুকে ঠুনকু অজুহাতে পিটিয়ে খুচিয়ে খুচিয়ে নিষ্ঠুর ভাবে হত্যা করা হয়েছে। মাগুড়ায় আওয়ামী সন্ত্রাসীদের গুলিতে ক্ষতবিক্ষত হয়েছে গর্ভে থাকা শিশু ও তার মা।
গতকাল খুলনায় রাকিব নামের এক শিশুকে পেটে হাওয়া ঢুকিয়ে পৈচাশিক নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আজও রাজধানীতে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় বোন খুন হয়েছে।
আগামী দিনে আরও কি ধরণের পৈচাশিকতা দেখতে হবে তা নিয়ে জাতি শঙ্কিত। তাছাড়া খুন, ধর্ষণ, নির্যাতন, অপহরণ নিত্য দিনের সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে।
এটি কোন সভ্য সমাজের বিশেষ করে মুসলীম সমাজের চিত্র হতে পারেনা। এর একটাই কারণ সমাজে ইসলামী মূল্যবোধ চর্চা অভাব।
আর রাষ্ট্রীয় পৃষ্ট পোষকতায় নাস্তিক্যবাদ, নোংড়া সংস্কৃতি ও মাদকের প্রসার, ইসলাম প্রিয় ছাত্রজনতার উপর জুলুম নির্যাতন অবিচারের মাধ্যমে মানুষকে ইসলাম থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। যার ফল হচ্ছে ভয়ঙ্কর।
তিনি সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, এই নিষ্ঠুরতার জোয়ার রুখতে হবে। আমরা কাউকে বিচারের আওতায় আনতে পারিনা না সত্যি কিন্তু এই পৈচাশিকতা রোধে সমাজে মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার কাজ করতে হবে।
এটি সমাজের কাছে আমাদের দায়বদ্ধতা। সুতরাং সকল প্রকার অমানবিকতা রোধে শুধু ছাত্রসমাজ নয় বরং সকল শ্রেণী পেশার মানুষের কাছে ইসলামের আহবান পৌছে দিতে হবে।
ইসলামী মূল্যবোধ চর্চায় অভ্যস্ত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাতে হবে। এটাই এক মাত্র পথ। কেননা কুরআনের আলোই পারে নিষ্ঠুরতার স্থলে মানবিকতা প্রতিষ্ঠা করতে। ইতিহাস হাজার বছর ধরে এই সাক্ষই বহন করে
এসএইচ





