বিভিন্ন স্থানে জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের প্রতিবাদ জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।

সেক্রেটারী জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান এক বিবৃতিতে বলেন, ‘সারা দেশে সরকার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবৈধভাবে ব্যবহার করে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীসহ অন্যান্য বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের ব্যাপকহারে গ্রেফতার করাচ্ছে।

শুধু তাই নয়, তারা গ্রামে গ্রামে ঘুরে আওয়ামী মহাজোটের কর্মীদের মত জনগণকে মারধর করে সন্ত্রাস সৃষ্টি করছে। আমি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দলীয় কর্মীদের মত ব্যবহারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’

বিবৃতিতে জানানো হয়, জামায়াতের ময়মনসিংহ জেলা শাখার সাবেক আমীর ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের টীম সদস্য অধ্যাপক জসিম উদ্দিন, নোয়াখালী জেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা নিযাম উদ্দিন ফারুককে ৩০ নভেম্বর রাতে, ফুলবাড়িয়া উপজেলা শাখার সেক্রেটারি জনাব ডা. আবদুর রাজ্জাক ও মুক্তাগাছা উপজেলা শাখার বায়তুলমাল সেক্রেটারি ডা. আজহারুল ইসলাম শাহীনকে ১ ডিসেম্বর, দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলার দিওড় ইউনিয়নের সভাপতি ও বিজুল কামিল মাদ্রাসার এবতেদায়ি শাখার প্রধান মাওলানা নজরুল ইসলাম, নবাবগঞ্জ উপজেলার নারায়ণপুরের শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ইউনিয়নের সেক্রেটারি মোঃ সেকেন্দার আলীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই গ্রেফতারের মাত্রা বেড়ে যাচ্ছে। জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী দলকে নির্বাচন থেকে সরে যেতে বাধ্য করে ভোট ডাকাতির হীন উদ্দেশ্যেই সরকার এসব করাচ্ছে। যারা মনোনয়নপত্র দাখিল করেছে তাদেরও অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হচ্ছে।

অধ্যাপক জসিম উদ্দিন ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার লক্ষ্যে মনোনয়পত্র দাখিল করেছেন।

অথচ তাকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে। সরকারের এ ধরনের বেআইনী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

দ্রুত জামায়াত, ছাত্রশিবিরসহ অন্যান্য বিরোধী দলের গ্রেফতারকৃত নেতা-কর্মীদের নিঃশর্তভাবে মুক্তি দেয়ার দাবি জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।

এএস