জয়পুরহাটে বেগম খালেদা জিয়ার বক্তব্য শুনার জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে হাজার হাজার নেতা কর্মী ও সাধারণ জনগণ। সকাল থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে হাজির হচ্ছেন জয়পুরহাট আরবি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের জনসভাস্থলে। জনতার ঢল দেখে খুব সহজেই অনুমেয় বেলা বাড়ার সাথে সাথে জনসভার স্থান কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যাবে বলে মনে করেন স্থানীয় নেতারা।

রোববার বিকাল ৪টায় জয়পুরহাট রামদেও বাজিলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় জেলা বিএনপি’র সভাপতি মোজাহার আলী প্রধানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

দুই দিনের দলীয় সাংগঠনিক সফরে খালেদা জিয়া বগুড়া ও জয়পুরহাট আসেন। শনিবার ২১ জুন বিকাল ৪.৪০ মিনিটে রাজধানী ঢাকার গুলশান বাসভবন থেকে বগুড়ার উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি। রাত সাড়ে ৯টায় তিনি বগুড়া সার্কিট হাউজে উপস্থিত হন। পরবর্তীতে রাত্রিযাপন শেষে বেলা ১২টায় বগুড়া থেকে জয়পুরহাটের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।

জনসভার মাঠে শোভা পাচ্ছে বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি সম্বলিত ব্যানার, ফেস্টুন, পোস্টার।

এদিকে সরেজমিনে দেখা গেছে, আষাঢ়ের গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির কারণে উত্তরবঙ্গের সীমান্তবর্তী জেলা জয়পুরহাটে খালেদা জিয়ার জনসভার উত্তাপ কিছুটা কম।
তবে খালেদা জিয়ার সফর উপলক্ষে গত কয়েকদিন জয়পুরহাট এবং আশপাশের জেলার বিএনপি নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।

বিএনপি’র স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, খালেদা জিয়ার জনসভায় কয়েক লাখ লোক সমাগমের আশা করেন তারা। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও নেয়া হয়েছে। কিন্তু গত কয়েকদিন সারাদেশের মতো জয়পুরহাটেও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। এর ফলে প্রত্যাশিত সংখ্যক লোক সমাগমের ব্যাপারে কিছুটা সংশয় রয়েছে। তবে স্থানীয় নেতারা আশাবাদী বেলা বাড়ার সাথে সাথে খালেদা জিয়ার জনসভা লোকে লোকারণ্য হবে।

সমাবেশস্থল জয়পুরহাট রামদেও বাজিলা সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে পানি জমায় বিপুল পরিমাণ বালি ফেলা হয়েছে। তাই গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ভারী বর্ষণে রূপ নিলে সমাবেশ করা আয়োজকদের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়বে।

তবে জয়পুরহাট জেলা বিএনপি সভাপতি মোজাহার আলী প্রধান শীর্ষ নিউজকে বলেন, আমাদের যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ। এখন শুধু ম্যাডামের অপেক্ষায়।

তিনি বলেন, আবহাওয়া বিরূপ হলেও সমাবেশস্থল লোকে লোকারণ্য হবে বলে আশা করছি।সমাবেশ সফল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান বলেন, দুই লাখের অধিক লোকের টার্গেট নিয়ে জনসমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। আকাশের অবস্থা যাই থাকুক, খালেদা জিয়াকে একনজর দেখতে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রচুর লোকের সমাগম হবে। জেলা শহর হবে জনসমুদ্রে পরিণত।

ঢাকা, ২২ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম)//এসএইচ