আনুষ্ঠানিকভাবে ১৪ দলীয় জোটে যোগ না দিলেও জোটের চলমান কর্মসূচিতে যুগপৎভাবে অংশগ্রহণ করবে নাজমুল হুদার তৃণমূল বিএনপি’র নেতৃত্বাধীন ৩১ দলীয় জোট বাংলাদেশ ন্যাশনাল এলায়েন্স (বিএনএ)।

বিকালে ধানমন্ডি আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ১৪ দলের বৈঠকে উপস্থিত হয়ে নাজমুল হুদা সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

আনুষ্ঠানিকভাবে ১৪ দলে যোগ দিচ্ছেন কি-না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে নাজমুল হুদা বলেন, ‘না, যোগ দিচ্ছি না। তবে তাদের চলমান সন্ত্রাস-হত্যা বিরোধী কর্মসূচিতে আমাদের অংশগ্রহণ থাকবে।’

সংহতিতে নাজমুল হুদা বলেন, আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি সন্ত্রাস কিংবা নৈরাজ্য দমনে রাজনীতির কোনো সুযোগ নেই।

যারা শাসন করবেন তাদেরকে শাসক হিসেবে এই সমস্যা মোকাবেলা করতে হবে। আইন প্রয়োগ করে তাদের কঠোরতম শাস্তি দিতে হবে। আমরা বিশ্বাস করি এই লক্ষ্যে আমাদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যোগ্যকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন আমরা তার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জ্ঞাপন করছি।

নাজমুল হুদা বিএনপি’র আদর্শ মেনে চলেন, এখন আওয়ামী লীগ তার আদর্শ মেনে নেবে কিনা বা তার সাথে কোন বিরোধ ঘটবে কিনা এমন প্রশ্নে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মাদ নাসিম বলেন, তার দলের কর্মসূচীতে সে তার আদর্শ মেনে চলুক সমস্যা কি, আমরা জঙ্গী, সন্ত্রাসী মোকাবেলায় এক সাথে কাজ করবো, এ নিয়ে রাজনীতির সুযোগ নেই।

নাজমুল হুদা আরো বলেন, আজকে বাংলাদেশে রাস্তায় রাজনীতি শেষ হয়েছে। এই রাস্তায় যেসমস্ত অরাজকতা সৃষ্টিকরা হতো এবং নৈরাজ্যসৃষ্টি করা হতো তাতে বাংলাদেশের মানুষের জীবনাযাত্রা বিঘ্নিত হতো। আজ আমরা এদিক থেকে নিশ্চিন্ত, যে আগের মতো সেই রাজনৈতিক উত্তাপ সড়ক বা মহাসড়কে নেই। এর জন্য একাধিকবার আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ এবং সাধুবাদ জানাচ্ছি।

উল্লেখ্য, বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত সাবেক মন্ত্রী নাজমুল হুদা কয়েকটি রাজনৈতিক দলের জন্ম দিয়ে অবশেষে গত জানুয়ারিতে নিজের দল তৃণমূল বিএনপি নিয়ে ১৪ দলীয় জোটে যোগ দেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। পরে তিনি সরকারের পক্ষে বিভিন্ন সময় বক্তব্যও দেন।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, ডা. দীপু মণি, ওয়াকার্স পার্টিও সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা, জাসদ সাধারণ সম্পাদক শিরিন আক্তারসহ ১৪ দলের নেতারা।

এমআর/ইআর