বর্তমানে আমরা গণতন্ত্র হারিয়ে ফেলেছি।সেই গণতন্ত্র পুণরুদ্ধারই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।গণতন্ত্র পুণরুদ্ধারে আন্দোলনের বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ।
রবিবার বিকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
দেশে নিম্নমানের রাজনীতি চলছে মন্তব্য করে মওদুদ আহমেদ বলেন, গত ছয় বছরে দেশে রাজনীতির মান এতোটাই নিচে নেমে গেছে যে আমরা কখনো তা কল্পনাও করিনি।
এখন আমাদের দলীয় প্রধান বেগম খালেদা জিয়ার উপর দায়িত্ব বেড়ে গেছে যে, এই নিম্ন মানের রাজনীতিকে উত্তরণ করতে হবে।
তিনি বলেন, আওয়ামীলীগ সংবিধানের দোহাই দিয়ে সংবিধান লংঘন করে ক্ষমতায় বসে আছে।সাংবিধানিকভাবে ৫ জানুয়ারি কোন নির্বাচন হয় নাই।এটা রাজনীতির নামে মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছুই না।
আওয়ামীলীগ যতদিন থাকবে ততদিন এ অবস্থা থেকে উত্তরণ হবেনা।আওয়ামীলীগ গণতন্ত্রের মৃত্যুর উপর বসে রাজত্ব করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিএনপির চলমান আন্দোলন ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয় জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের আন্দোলন জনগনের অধিকার ফিরে পাওয়ার আন্দোলন।তাই মৃত গণতন্ত্র উদ্ধারে সবাইকে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে রাজপথে নেমে আসার আহবান জানান তিনি।
মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাতের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, আব্দুল্লাহ আল নোমান, শমসের মবিন চৌধুরী,
লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপির চেয়ারম্যান কর্ণেল (অব.) অলি আহমদ,
কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর (অব.) সৈয়দ মুহামম্দ ইব্রাহিম,
চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ব্যারিষ্টার শাহজাহান ওমর, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফর উল্লাহ চৌধূরী,
বিএনপির প্রচার বিষয়ক সম্পাদক জয়নুল আবদিন ফারুক, অর্থনীতি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সালাম, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক শফিউজ্জামান খোকন, মুক্তিযোদ্ধা সাদেক খান প্রমুখ।
এছাড়া আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন-ঝালুকাঠি থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সিদ্দিক, ঢাকা থেকে আব্দুর রাজ্জাক, নারায়ণগঞ্জ থেকে নূর হোসেন, ফরিদপুর থেকে শাহজাদা মিয়া, কুষ্টিয়া থেকে বাবুল আহমেদ, মাদারিপুর থেকে জাহাঙ্গীর হোসেন, বগুড়া থেকে আব্দুল কাদের, রংপুর থেকে মোজাফ্ফর হোসেন, চট্টগ্রাম থেকে কামাল উদ্দীন, টাঙ্গাইল থেকে শরিফুল ইসলাম শাজাহান, গাজীপুর থেকে আলী আকবর, রাজশাহী থেকে নূর হামিদ রিজভী বীর প্রতীক, মুঞ্চিগঞ্জ থেকে মীর মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম মহানগর থেকে শাহবুদ্দিন আহমেদ, দিনাজপুর থেকে সৈয়দ শাহাদাৎ হোসেন মানিক, শরিয়তপুর থেকে শহীদ পারভেজ ও শেরপুর থেকে ফরিদুর রহমান ফরিদ, ঢাকার চৌধুরী আবু তালেব প্রমুখ।
এমকে/এমএইচ





