হজ ও মহানবী সা. সম্পর্কে কটূক্তি করে মন্ত্রিত্ব ও দল থেকে বহিষ্কার হওয়া লতিফ সিদ্দিকী দেশে ফিরতে না পারলে কলকাতা বা শান্তি নিকেতনে থাকতে চান। আমেরিকায় বসবাসের প্রস্তাব পেলেও তা ফিরিয়ে দিয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেছেন, দেশে ফিরতে না পারলে ‘বাঙালি পরিবেশেই’ থাকতে চান তিনি। এক্ষেত্রে কলকাতা বা শান্তিনিকেতনই তার প্রথম পছন্দ।  এখানে থেকে লেখাপড়া ও গবেষণায় মন দিতে চান তিনি।

ভারতের প্রবীণ সাংবাদিক সুখরঞ্জন দাশগুপ্তকে রোববার একথা বলেন লতিফ সিদ্দিকী। সুখরঞ্জন লতিফ সিদ্দিকীর দীর্ঘদিনের বন্ধু। খবর বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকেমের।

লতিফ বলেন, “আমি দেশে যেতে পারি। কারণ আমি সবকিছু হারালেও আমার সংসদ সদস্য পদ এখনো রয়েছে, নির্বাচন কমিশন তা বাতিল করেনি। দীর্ঘদিন দেশের বাইরে থাকতে চান না বলেও জানান সাবেক ডাক ও টেলিযোগযোগ মন্ত্রী।

সুখরঞ্জন জানান, বাংলাদেশের এই প্রবীণ রাজনীতিবিদকে দিল্লিতে থাকার প্রস্তাব দেয়া হলেও তিনি কলকাতা বা শান্তিনিকেতনই পছন্দ করছেন।

লতিফ তার নিউ ইয়র্কের বক্তব্য সম্পর্কে বলেন, “অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে আমি ওই কথা বলেছিলাম, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার জন্য বলিনি।  আমার বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে প্রচার করা হয়েছে।”

প্রসঙ্গত, গত ২৮ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে এক অনুষ্ঠানে লতিফ সিদ্দিকী হজ, মহানবী সা., তাবলিগ জামাত, প্রধানমন্ত্রীর পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় সম্পর্কে কটূক্তি করেন। এজন্য তিনি মন্ত্রিসভা ও দল থেকে বহিষ্কার হন। তার নামে দেশের বিভিন্ন আদালতে অর্ধশতাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে। তার বিচার দাবিতে ইসলামি দলগুলোর একটি জোট রোববার হরতালও পালন করেছে।

এএইচ