আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, আইন অনুযায়ী ২১ থেকে ২৮ দিনের মধ্যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কামারুজ্জামানের ফাঁসি কার্যকর করতে হবে। আর রায় হওয়ার ৭ দিনের মধ্যে তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন(মার্সি পিটিশন) করতে পারবেন।
সোমবার বিকাল ৩টার দিকে মন্ত্রী তার গুলশান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কামারুজ্জামান যদি মার্সি পিটিশন না করেন তাহলে আমি মনে করি খুব শিগগিরই এ রায় কার্যকর করা যাবে।
কাদের মোল্লার রিভিউ আবেদন খারিজ হয়েছে উল্লেখ করে কামারুজ্জামানের ব্যাপারে দেওয়া রায় রিভিউ করার সুযোগ নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সোমবার আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়(ফাঁসি) বহাল রেখে আদেশ দেন। বেঞ্চের অন্য বিচারপতিরা হলেন- বিচারপতি আবদুল ওয়াহহাব মিয়া, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী।
গত ১৭ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের আপিল আবেদনের ওপর শুনানি শেষে কামারুজ্জামানের মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছিলেন সর্বোচ্চ আদালত। শুনানি শেষ হওয়ার দেড় মাস পর সোমবার রায় ঘোষণা করা হলো।
ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার অভিযোগের মামলায় ২০১০ সালের ১৩ জুলাই জামায়াত নেতা মোহাম্মদ কামারুজ্জামানকে হাইকোর্ট এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। ২ আগস্ট তাকে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতার দেখানো হয়। কামারুজ্জামানকে গত বছরের ৯ মে মৃত্যুদণ্ড দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। রায়ে হত্যা ও গণহত্যার দুটি অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কামারুজ্জামানকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। অন্য দুটি অভিযোগে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং আরেকটিতে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।
জেআই





